স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে (এলজিইডি) একজন দক্ষ প্রকৌশলীর অভাবে অনেকটাই ঝিমিয়ে পড়েছিল।অন্তর্বতীকালীন সরকার মোঃ আব্দুর রশীদ মিয়াকে প্রধান প্রকৌশলী হিসাবে নিয়োগ দেন সম্প্রতি। বর্তমানে তার সঠিক নেতৃত্বে এলজিইডি অনেকাংশেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে। এলজিইডি দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকৌশল সংস্থা যা গ্রামীণ অবকাঠামো বিনির্মাণে বিশাল ভূমিকা রেখে এসেছে। প্রধান প্রকৌশলী দায়িত্বে আসার পরপরই সবকিছু বদলে যায়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শুরু করে শহরের সীমানায় রয়েছে তার বিশাল কর্মযজ্ঞ। এলজিইডির পরিধি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে সেই সঙ্গে বদলে যাবে মানুষের অর্থনৈতিক দিকগুলো গত ৪ ফেব্রুয়ারি এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দেন এই প্রকৌশলী। তিনি কাজে যোগদানের পর থেকে পল্লী অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ এবং হাটবাজার ও গ্রোথ সেন্টার উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে গতিশীল করতে এলজিইডি নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। ফলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই গ্রামীণ জনপদের মানুষ সুফল ভোগ করে। দৃশ্যমান হতে থাকে এই প্রতিষ্ঠানের গৃহীত বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মযজ্ঞ। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষ বর্তমানে সর্বোচ্চ দুই কিলোমিটারের মধ্যে পাকা সড়ক ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছেন। মানুষের জীবন মানউন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে পল্লীর এসব অবকাঠামো ব্যাপক ভূমিকা রাখবে বলে সচেতনমহল আশা করেন। অন্যদিকে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতেও এলজিইডি বিশেষ ভূমিকা রাখছে।বিশাল এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে। বোদ্দামহলের মতে, দীর্ঘদিন পরে একজন দক্ষ অভিভাবক পেয়েছে এলজিইডি। আশা আকাঙ্খার বাতিঘর মাঠ পর্যায়ে থেকে উঠে আসা বর্তমান প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশীদ মিয়া একজন মেধাবী, কর্মঠ ও দক্ষ প্রকৌশলী হিসেবে ইতোমধ্যে সুখ্যাতি অর্জন করেছেন।

