আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কিউবা এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ইতোপূর্বে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ১৫ বছর পর যোগাযোগ-ব্যবস্থার এ মাইলফলক স্পর্শ করলো দুই দেশ। কিউবার রাষ্ট্রায়ত্ব টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান এতেসকা এ তথ্য জানিয়েছে।
এতেসকা বলছে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা শুধুমাত্র টেলিফোনেই সীমাবদ্ধ থাকবে আগামী কিছুদিন। ক্রমেই সব পথে অগ্রগতি অর্জিত হবে। সরাসরি টেলিযোগাযোগ স্থাপিত হওয়ার আগে দুই দেশের মানুষ তৃতীয় কোনো দেশ হয়ে ফোনে কথা বলতে পারতো যা খুবই ব্যয়বহুল ছিল।
মিত্রতার অগ্রগতিতে বাস্তাবায়িত এটিই প্রথম উদ্যোগ। গত বছরের ডিসেম্বরে দুই দেশ সম্পর্কোন্নয়নের ঘোষণা দিয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি দ্বিতীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ঐ বৈঠকে টেলিযোগাযোগ স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছিল, দুই পক্ষই এ ইস্যুতে ঐক্যমতে পৌঁছেছিল।
এতেসকা বলেছে- কিউবা এবং যুক্তরাষ্ট্রের টেলিযোগাযোগ পুনরায় স্থাপনের মাধ্যমে দুই দেশের নাগরিক পারস্পরিক যোগাযোগ রক্ষার মাধ্যমে সম্পর্কের শক্ত অবকাঠামো তৈরি করতে পারবেন। এতেসকার সমপর্যায়ে রয়েছে নিউজার্সিভিত্তিক মার্কিন প্রতিষ্ঠান আইডিটি ডোমেস্টিক টেলিকম। তাদের ভাষ্য- চুক্তির এই বাস্তবায়ন আমাদের গ্রাহকদের জন্যে খুবই ইতিবাচক হয়েছে।
মিয়ামি হেরাল্ড পত্রিকা জানিয়েছে, ডিসেম্বরে দুই দেশ সম্পর্কোন্নয়নের কথা ব্যক্ত করার আগেই এতেসকা ও আইডিটি ডোমেস্টিক টেলিকম টেলিফোনে আলাপ করেছিল। বিবিসি জানিয়েছে, আসছে দিনগুলোয় বৃহৎ পরিসরে মিলিত ভাবে বিভিন্ন অন্তর্জালিক সুবিধার আওতাভুক্ত হবে দুই দেশ।
জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের ইকোনোমিক অ্যান্ড বিজনেস অ্যাফেয়ার্স অধিদপ্তরের একটি প্রতিনিধ দল দানিয়েল সেপালভেদার নেতৃত্বে চলতি মাসের শেষভাগে কিউবায় রাষ্ট্রীয় ভ্রমণে যাবে। দানিয়েল উক্ত অধিদপ্তরের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ এবং তথ্যনীতি বিভাগের সমন্বয়ক। দলটি কিউবার একই পর্যায়ভুক্ত দলের সঙ্গে বৈঠকে বসবে।

