নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় চেতনার প্রতীক জাতীয় স্মৃতিসৌধের ‘সংরক্ষিত’ এলাকাটি এখন অরক্ষিত হয়ে পড়েছে। গেইট টপকে যখন-তখন ভেতরে ঢুকছে লোকজন। সৌধ এলাকার বাগানকে ব্যবহার করা হচ্ছে শৌচকর্মের জায়গা হিসেবে। সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ থাকলেও সেটির ব্যবহারের বালাই নেই স্থানীয় লোকজনের।
স্মৃতিসৌধ এলাকা ঘুরে এমন চিত্রই চোখে পড়েছে সম্প্রতি।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থীর আগমন ঘটে সৌধ প্রাঙ্গণে। আগত দর্শনার্থীদের প্রবেশের জন্য সৌধ কর্তৃপক্ষ সৌধের ২ নম্বর গেটটি খুলে রাখে প্রতিদিন সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত। কিন্তু ২ নম্বর গেটটি স্টেশন থেকে একটু দূরে অবস্থিত হওয়ায় ১ নম্বর বন্ধ ভিআইপি গেইট টপকেই ভেতরে ঢুকছে লোকজন।
দেখা গেছে, বন্ধ রাখা ১ নম্বর গেটটিতে কোনো নিরাপত্তাকর্মী নেই। ফলে অবৈধভাবে অবাধে সৌধ প্রাঙ্গণে ঢুকে পড়ছে লোকজন। অধিকাংশ লোকজনই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতেও সৌধ এলাকায় প্রবেশ করছে।
আব্দুল মালেক নামের এক অবৈধ প্রবেশকারী জানালেন, তিনি সৌধের বাইরে রাস্তার পাশে চা-পান বিক্রি করেন। প্রতিদিন বন্ধ ভিআইপি গেট দিয়েই সৌধের ভেতরে প্রবেশ করেন তিনি। বাগানের উন্মুক্ত স্থানে শৌচকর্ম সেরে আবার গেট টপকে বেরিয়ে যান।
আরাফাত হোসেন নামের অপর একজন জানান, সাধারণ দর্শনার্থী প্রবেশের জন্য খোলা রাখা গেটটি নবীনগর বাসস্ট্যান্ড থেকে অনেকটা দূরে হওয়ায় বন্ধ গেট টপকে লোকজন ভেতরে প্রবেশ করছে।
অপরদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্মৃতিসৌধের এক আনসার সদস্য জানান, প্রয়োজনের তুলনায় তাদের জনবল কম থাকার কারণে ইচ্ছা থাকা সত্বেও তারা এই অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে পারছেন না।
অবৈধ অনুপ্রবেশ সম্পর্কে জানতে সৌধের দায়িত্বে থাকা গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মিজানুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘অতিদ্রুত অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

