বৈষম্য নিরসনে দশম ধাপে বেতন নির্ধারণসহ অবিলম্বে ৯ম বেতন কমিশন গঠনসহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ ।
শনিবার বিকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানান সংগঠনের মহাসচিব নোমানুজ্জামান আল আজাদ ।এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সভাপতি সৈয়দ সারোয়ার হোসেন, সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক মো. আজিম, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রোকনুজ্জামান, সদস্য সচিব বদরুল আলম সবুজ, অতিরিক্ত মহাসচিব মো. জিল্লুর রহমান খান, কেন্দ্রীয় নেতা মো. ইউসুফ আলী, আমিনুল ইসলাম, মো. ওয়াহিদ, খন্দকার আক্কাস, জসিম উদ্দিন, দেলোয়ার হোসেন, মো. আরিফ হোসেন, ইমরুল কায়েস পলাশ, আরিফ খান রনি, মোসলেম উদ্দিন প্রমুখ।
সংবাদ সম্মেলনে নোমানুজ্জামান আল আজাদ বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছরের অন্যায়, অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতনের দেয়াল ভেঙ্গে ছাত্র শ্রমিক জনতার দুর্বার আন্দোলনে স্বৈরাচারী অপশাসনের পতন হলেও প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা আজও আর্থিক ও প্রশাসনিকভাবে চরম বৈষম্যের শিকার। সংগঠনের মহাসচিব আরো বলেন, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড, শতভাগ পেনশন প্রথা বিলোপ, সচিবালয়ের সাথে সারা দেশের কর্মচারীদের পদ-পদবী ও বেতন বৈষম্যের কারণে কর্মচারী অঙ্গণে চরম হতাশা ও তীব্র ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে। এ সকল বৈষম্যের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে গণকর্মচারীদের মনের পুঞ্জিভূত ক্ষোভ নিরসনের লক্ষ্যে ৫ দফা দাবি অবিলম্বে মেনে নিয়ে সরকারের কাছে বৈষম্য নিরসনের জোর দাবি জানাচ্ছি। এই পরিস্থিতিতে ‘জনগণের জন্য জনসেবা’র প্রত্যয়ে সংগঠনের একাদশ জাতীয় সম্মেলন আগামী ১০, ১১ মে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে।
৫ দফার অন্য দাবিগুলো হচ্ছে- টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড, পূর্বের ন্যায় শতভাগ পেনশন, পেনশন গ্রাচ্যুইটির হার ৫০০ টাকা নির্ধারণ, সচিবালয়ের ন্যায় সকল দপ্তরে অভিন্ন নিয়োগবিধি, সমকাজে সমবেতন ও পদবী পরিবর্তন, ৫০ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ২০ শতাংশ নির্ধারণ, ন্যায্যমূল্যে রেশন প্রদান, আউটসোর্সিং নিয়োগ প্রথা বিলোপ, আইএলও সনদের ৮৭ ও ৯৮ ধারা মোতাবেক গণকর্মচারীদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রদান।

