এ যেন সরকারের চেয়েও শক্তিশালী এক যুগ্ম সচিব। তোয়াক্কা করেন না সরকারী আদেশের। সরকারী আদেশ অমান্য করে প্রায় চার মাস কর্মস্থলে যোগ দেননি এক যুগ্ম সচিব। স্ট্যান্ড রিলিজের পরেও আদেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে আগের কর্মস্থলেই অবস্থান তার। এমন অভিযোগ উঠেছে যুগ্ম সচিব এসএম শাহ্ হাবিবুর রহমান হাকিমের বিরুদ্ধে। ১৩ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রলণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, গেলো বছরের পাঁচ ডিসেম্বর তাকে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর- বিজিপ্রেসের পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয় কিন্তু সেখানে যাননি তিনি। এ বিষয়ে যুগ্ম সচিব এসএম শাহ্ হাবিবুর রহমান হাকিমের সাথে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি। মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর-বিজিপ্রেস যেনো মধুর হাড়ি। প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার বিষয়ে বার বার আলোচনায় আসে প্রতিষ্ঠানটি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব আব্দুল্লাহ আরিফ মুহাম্মদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে দেখা গেলো বছরের ৯ মে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক পদ থেকে আলোচিত সেই প্রতিষ্ঠান মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরে যুগ্ম সচিব এসএম শাহ্ হাবিবুর রহমান হাকিমকে পরিচালক পদে বদলি করা হয়। এরপর, একই মন্ত্রণালয়ের আরেক উপসচিব জামিলা শবনম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে একই বছরের পাঁচ ডিসেম্বর তাকে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর- বিজিপ্রেসের পরিচালক পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বদলি করা হয় কিন্তু সেখানে যোগ দেননি তিনি। সরকারি বদলির আদেশ অমান্য করায় চলতি মাসের ১৩ মার্চ উপসচিব মিয়া মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী স্বাক্ষতির প্রজ্ঞাপনে বলা হয় ১৬ মার্চেও কর্মস্থলে যোগ না দিলে তাকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হবে।আওয়ামী দোসরখ্যাত বিশেষ ক্ষমতাধর যুগ্ম সচিব এসএম হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে দুদকেও অভিযোগ রয়েছে। স্ট্যান্ড রিলিজের পরেও তাকে মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর- বিজিপ্রেসেই অফিস করতে দেখা যায়। কেন তিনি বার বার সরকারী আদেশ অমান্য করেছেন জানতে চাইলে ফোন ধরেননি।

