ঢাকাSunday , 20 April 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ছাত্রদের বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট সরকারের মিথ্যা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ করেছিলাম: আসিফ নজরুল

Link Copied!

কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি প্রসঙ্গে বক্তব্য দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল। ফাইয়াজ নামের এক অভিযুক্ত কিশোরের মামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, এসব মামলা তদন্তাধীন থাকায় আইন মন্ত্রণালয়ের হাতে কিছু করার সুযোগ নেই। তবে তিনি দায়িত্বর শুরু থেকেই এসব মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ করে আসছেন বলেও জানান। আসিফ নজরুল বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানকালে ছাত্রজনতার বিরুদ্ধে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার যে সমস্ত ষড়যন্ত্রমূলক এবং মিথ্যা বানোয়াট মামলা করেছিল, আমি আমার দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই তখন যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, খানকার যে আইজিপি ছিলেন, উনাদের সাথে বৈঠক করে রিকোয়েস্ট করেছিলাম এই মামলাগুলোর ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি যেন নিষ্পত্তি করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। সেটা অনুযায়ী উনারা সব মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দিয়েছে বলে আমরা জেনেছিলাম। কিন্তু আমাদেরকে বলেছিল অল্প কিছু, পরবর্তীকালে আমাদের জানিয়েছিল অল্প কিছু মামলা এখনো রয়ে গেছে যেগুলো হত্যা মামলা রিলেটেড।
তিনি বলেন, “এবং এইরকম একটা মামলা ফাইয়াজের মামলা। কালকে আমি খবর নিলাম, ফাইয়াজের মামলাটা এরকম একটা মামলা। এবং এখানে দুইজন আসামী তারা ১৬৪ স্টেটমেন্ট দিয়েছিল। তো আমি খবর নিয়ে জানলাম উনারা যদি ১৬৪ এই স্টেটমেন্টটা রিট্র্যাক্ট না করে, তাহলে এই মামলাটার নিষ্পত্তি বা ফাইনাল রিপোর্ট দেওয়া খুবই দুষ্কর। এবং এটা সম্পূর্ণভাবে পুলিশের এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এখতিয়াধীন বিষয়। এখানে আইন মন্ত্রণালয়ের করার কিছু নাই।”
আসিফ নজরুল বলেন, “অনেক সময় অনেকে আপনারা হয়তো আমাকে চিনেন, ভালোবাসেন বা অপছন্দ করেন যে কোনো কারণে হোক। যে কোোন ঘটনার জন্য ভেবে নেন, এটা আমরা কিছু করছি না কেন? আমাদের যতই সদিচ্ছা থাক, একটা মামলা চার্জশিট পর্যায়ে আসার পর শুধুমাত্র আইন মন্ত্রণালয় কোন কিছু করতে পারে। তার আগে কোন কিছু করার স্কোপ আইন মন্ত্রণালয় নাই।
তিনি আরও বলেন, “আমরা আশা করব যারা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ আছে তারা উপযুক্ত ব্যবস্থা নিবে এবং ১৬৪ স্টেটমেন্ট যারা দিয়েছিল তারা যেন ১৬৪ স্টেটমেন্ট প্রত্যাহার বা রিট্র্যাক্ট করার পদক্ষেপ নেয়। যাতে করে এই মামলাটা খুব দ্রুত উইথড্র করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।”
“আমি তার ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করেছিলাম নাম্বার পাওয়ার পর। আমি তাকে বলেছি, এটাই হচ্ছে প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াতে যদি আগানো হয় তাহলে মামলাটা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। আমি তাকে একটা প্রক্রিয়াটা বুঝিয়ে বলেছি। আপনাদের একটা জিনিস মনে রাখতে হবে, আমরা আইন দ্বারা পরিচালিত হই। একটা আইনের বাইরে যেটা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাজ, সেটা আইন মন্ত্রণালয় করতে পারবে না। যেটা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাজ, সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় করতে পারবে না। যেটা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজ, সেটা মৎস্য মন্ত্রণালয় করতে পারবে না। এটা তো সবার বোঝার কথা।”
তিনি বলেন, “তো আমার যতই প্রত্যাশা থাক, যতই আন্তরিকতা থাক, যতই আমার ইচ্ছা থাক, এই কাজটা প্রক্রিয়াগতভাবে ঠিক না হওয়া পর্যন্ত অন্য মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার, আমাদের এখানে কিছু করার নাই। আমাদের খালি সাজেশন দেওয়ার আছে, আমাদের খালি অনুরোধ করার আছে। এর বাইরে কিছু নাই। আমি ফাইয়াজের ভাইকে কালকে বুঝিয়ে বলেছি, প্রক্রিয়াটা কি।”
আসিফ নজরুল বলেন, “আপনারা যারা ১৬৪ স্টেটমেন্ট দিয়েছিল, উনাদেরকে একটু কাইন্ডলি জিজ্ঞেস করেন যে সরকার আসছে আট মাস হয়ে গেছে, উনারা এখনো ১৬৪ স্টেটমেন্ট ,যেটা আমি বিশ্বাস করি পুলিশ অত্যাচার করে নিয়েছে, নির্যাতন করে নিয়েছে বা ভয় দেখিয়ে নিয়েছে ,সেটা উইথড্র করছেন না কেন? এটা একটু কাইন্ডলি উনাদের জিজ্ঞেস করেন। যদি উইথড্র করতেন উনারা, তাহলে তো আজকে এই শিশু ফাইয়াজকে এই কোর্টে যাওয়া বা এই ধরনের একটা পরিস্থিতির মুখে আমাদের পড়তে হতো না।”