স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম বলেছেন, মুন্সীগঞ্জে একটি মেডিকেল কলেজ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। শীঘ্রই মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের কাজ যাতে উদ্বোধন করা যায় এ জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। সোমবার দুপুরে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সভাকক্ষে মুন্সীগঞ্জ জেলার উন্নয়ন সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এ সময় তিনি আরও বলেন, মুন্সীগঞ্জ জেলার যোগাযোগ অবকাঠামো কিভাবে উন্নয়ন করা যায়, সে বিষয়ে সভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া গত ৫ আগস্ট দুবৃর্ত্তদের দেওয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত মুন্সীগঞ্জ পৌরভবন সংস্কারের বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তিনি জানান, মুন্সীগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি আধুনিকায়ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এছাড়া মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের ছনবাড়ী থেকে মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুর হয়ে শহরের প্রবেশমুখ পর্যন্ত ৪ লেনের কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে। মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক ফাতেমা তুল জান্নাতের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন, শিল্প গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নৌবাহিনীর প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মোঃ শাহ্রিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ নিজাম উদ্দিন, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সচিব ড. মোঃ খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মোঃ মফিদুর রহমান, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টার (এনটিএমসি) এর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল কাইয়ুম মোল্লা, ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু তাহের মুহাম্মদ জাবের, এসবি বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ গোলাম রসুল, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাবিনা আলম, বিআইডব্লিউটিএের চেয়ারম্যান কমডোর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, বাংলাদেশ পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি একেএম আওলাদ হোসেন, এলজিইডি এর প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আব্দুর রশীদ মিয়াসহ দেশের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের বিভিন্ন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভার একটি বিশেষ অংশ হিসেবে মুন্সীগঞ্জ জেলার প্রত্নতাত্ত্বিক ও দর্শনীয় স্থানসমূহ নিয়ে প্রণীত “প্রত্নকথা” নামক একটি তথ্যবহুল ও আকর্ষণীয় ভ্রমণবই এর মোড়ক উন্মোচন করা হয়। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রণীত এই বইটিতে জেলার ৬টি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ও দর্শনীয় স্থানসমূহের পরিচিতি, ইতিহাস, অবস্থান, ছবিসহ বিস্তারিত বিবরণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

