ঢাকাWednesday , 5 March 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

পৃষ্ঠপোষক নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ পারভেজ!
মাগুরা গণপূর্ত অধিদফতরে কোটি কোটি টাকার কাজ আওয়ামী ঠিকাদারদের দখলে

Link Copied!

জুলাই,আগষ্ট বিপ্লব ও ছাত্র জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচার শেখ হাসিনার পতন হলেও সরকারী দপ্তরগুলোতে তার দোসররা এখনও রয়ে গেছে। ছাত্রলীগের রাজনীতি করে দলীয় কোটায় চাকরি ও পদায়ন পাওয়া এসব কর্মকর্তারা এখনো আওয়ামী লীগের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কোটি কোটি টাকার কাজ দিয়ে ফ্যাসিষ্টদের লালন পালন করার চেষ্টা করছেন। এমনি ঘটনা ঘটেছে মাগুরা জেলা গণপূর্ত কার্যালয়ে। এই কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাহিদ পারভেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে ছাত্র লীগের সক্রিয় নেতা ছিলেন বলে দাবী করেছেন মাগুরা জেলার ছাত্র ও জনতা। তিনি আজ থেকে প্রায় ৯ মাস আগে নড়াইল থেকে মাগুরায় বদলী হয়ে আসেন। এসেই আওয়ামী লীগের ঠিকাদারদেরকে নিয়ে একটি সিন্ডিকেট গঠন করেন। এরপর ঐ সব আওয়ামীমনা ঠিকাদার একটির পর একটি উন্নয়ন কাজের ঠিকাদারী তুলে দেন। বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে ১০% কমিশন আদায় করেন। সূত্র মতে, মাগুরা জেলায় এখন গণপূর্তের যতো উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ হচ্ছে তার সবকটাই করছেন আওয়ামী লীগের ঠিকাদাররা। জেলা তথ্য অফিস ভবন নির্মাণ কাজ করছেন আওয়ামী লীগ নেতা ও ঠিকাদার মাকুল ও তার ছোট ভাই রাকু। এই কাজে ১২/১৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। হাসপাতালের ৭ম তলার কাজ করছেন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা শেখ রেজাউল ইসলাম। এই কাজের মূল্য ৫ কোটি টাকা। শালিখা ও মহম্মদপুরে মডেল মসজিদ নির্মাণ কাজ করছেন আওয়ামী লীগ নেতা রানা গং। এই কাজের মূল্য ১৩ কোটি টাকা। গণপূর্ত অফিসের বাউন্ডারিওয়ালের কাজ করছেন যুবলীগ নেতা কিশোর। মূল্য ৫ লাখ টাকা। অপরদিকে টেন্ডার ছাড়াই মাগুরা জজ কোর্টের ভেতরে অনেক কাজ করে ভুয়া ভাউচারে মোটা অংকের টাকা ভাগাভাগি করেছেন। জেলা প্রশাসকের বাস ভবনের ভেতরের উন্নয়ন কাজও করছেন আওয়ামী লীগের ঠিকাদার। গত ১৬ বছরে কোন বিএনপি দলীয় ঠিকাদার একটি কাজও পায়নি এই দপ্তর থেকে।
আরো জানা গেছে, নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাহিদ পারভেজ বিএনপি দলীয় ঠিকাদার ও স্থানীয় সাংবাদিকদের সহ্যই করতে পারেন না। তিনি সব সময় উগ্র মেজাজে থাকেন। সাংবাদিকদের তথ্য দিতেও তালবাহানা করেন। তিনি ভুয়া ভাউচারে গোপনে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলে নিয়েছেন এমন কথাও শোনা যাচ্ছে। ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগের দোসর এই নির্বাহী প্রকৌশলী নড়াইলে থাকাকালেও সরকারি অর্থ হরিলুট করেছেন মর্মে অভিযোগ আছে। তিনি বর্তমানে আওয়ামী লীগের ঠিকাদারদেরকে ছায়া সাথী হয়ে দেদারছে সরকারি অর্থ হরিলুট করে যাচ্ছেন। এ সব বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, আপনি অফিসে এসে সরাসরি কথা বলুন। বিক্ষু্ব্ধ মাগুরাবাসী অতিসত্বর ফ্যাসিবাদের দোসর এই নির্বাহী প্রকৌশলীকে মাগুরা থেকে প্রত্যাহারের দাবী তুলেছেন। অন্যথায় তারা আন্দোলনে যাবেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।