ঢাকাMonday , 27 January 2025
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

এলজিইডিতে প্রকৌশলীদের পদোন্নতি নিয়ে তুঘলকি কাণ্ড!

Link Copied!

সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অধিদপ্তর এলজিইডিতে উচ্চ আদালতের আদেশে কখনো নিয়মিতকরণ করা হয়েছে রাজস্ব খাতে, কখনো বা করা হয়েছে নামমাত্র পরীক্ষার আয়োজনের মধ্য দিয়ে। এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ২০১২ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে। ঐ বছর সংস্থাটির সহকারী প্রকৌশলীর একটি পদের জন্য পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মাত্র ৩জন পরীক্ষার্থী। তথ্য বলছে, সেই পরীক্ষায় ১৫৪টি শূণ্য পদের বিপরীতে বৈধ আবেদন ছিলো ১৫১৮টি। সেই লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মাত্র ৩৫২ জন আর উত্তীর্ণ হন ১৬২ জন। অর্থাৎ একটি শূণ্য পদের বিপরীতে ১ জন উত্তীর্ণ হয়। অন্যদিকে মৌখিক পরীক্ষায় কৃতকার্য হয় ১২৭ জন। অর্থাৎ শূণ্য পদের চেয়ে কম পরীক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়। পিএসসির সুপারিশ নিয়ে পরের বছর ২০১৩ সালে এ পরীক্ষা থেকে যোগদান করেন ৫২ জন প্রকৌশলী। অভিযোগ রয়েছে, সকল নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে প্যানেলের মেয়াদ শেষ হওয়ার সাড়ে ৩ বছর পর অর্থাৎ ২০১৬ সালের ৮ আগস্ট ও ২৭ ডিসেম্বর উক্ত প্যানেল থেকে আরও ৩১ জন নিয়োগ দেওয়া হয়। যেখানে নিয়ম রয়েছে পিএসসির সুপারিশের মেয়াদ হবে মাত্র ১ বছর। বড় ধরণের এই অনিয়মে পিএসসি এবং এলজিইডি সিণ্ডিকেটের যোগসাজশের বিষয়টি এখন ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে। তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, ২০০৬ সালের বিজ্ঞপ্তির আলোকে ২০১৩ এবং ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রাপ্তরাও সিনিয়রিটি দাবি করে আসছেন ২০০৬ সাল থেকেই। কিন্তু বিধি বলছে পিএসসির সুপারিশের তারিখ ও নিয়োগের তারিখ ঠিক রেখে দাবি আদায়ে করা হয় একের পর এক মামলা দিয়ে। ফলশ্রুতিতে নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরেই আটকে আছে এলজিইডির প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতি। একইভাবে তৎকালীন বিএনপি সরকারের আমলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালে প্রকল্পে নিয়োগপ্রাপ্তদের উচ্চ আদালতের নির্দেশে নিয়মিতকরণ হওয়া সত্বেও পদোন্নতি বঞ্চিত করে আওয়ামী লীগ সরকার। এলজিইডি সূত্র বলছে, যোগ্যতা সত্ত্বেও সিনিয়র প্রকৌশলীদের যথা সময়ে পদোন্নতি প্রদান না করায় তাদের মধ্যে মারাত্মক ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে। যার বিস্ফোরণ ঘটতে পারে যে কোন সময়। এতে প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। পদোন্নতি বঞ্চিত বেশ কয়েকজন প্রকৌশলী নাম প্রকাশ না করার শর্তে দৈনিক পাঞ্জেরীকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে পদোন্নতি বঞ্চিত হওয়ায় তাদের মাঝে ক্ষোভ বিরাজ করছে এবং দ্রুত পদোন্নতি না দিলে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে’। এ ব্যাপারে তারা এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। উল্লেখ্য, বর্তমানে এলজিইডিতে দেড়শ জন নির্বাহী প্রকৌশলীর পদ শূণ্য রয়েছে।