ঢাকাSunday , 22 December 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তৃতীয়বারের মত দরপত্র আহ্বান প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ভ্যাকসিন ক্রয়ে প্রকল্প পরিচালকের তুঘলকি কাণ্ড!

এম আর সুমন
December 22, 2024 9:53 pm
Link Copied!

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে বাস্তবায়িত পিপিআর রোগ নির্মূল এবং এফএমডি রোগ প্রতিরোধ প্রকল্পের অধীনে ৯৯.৬০ কোটি টাকার এফএমডি ভ্যাকসিন কেনার জন্য বিগত ১৪ মে’২৩ ১ম দরপত্র এবং ১১ সেপ্টেম্বর’২৪ পুনঃদরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু ঠিকাদারের সাথে পিডি তথা কর্তৃপক্ষের লেনদেনে বনিবনা না হওয়ায় ৩য় বার দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। উক্ত দরপত্র জমা দেয়ার শেষ তারিখ ২৩ ডিসেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের তথ্য মতে ওএমসি নামক প্রতিষ্ঠানের সাথে আর্জেন্টিনার ভ্যাকসিন নেয়ার লক্ষ্যে পিডি ও কর্তৃপক্ষের দফারফা হয়েছে কিন্তু ওএমসি নামক প্রতিষ্ঠানের এধরনের সনদ না থাকায় বা দিতে পারবে না বলে স্পেসিফিকেশন পরিবর্তন করে পূর্বের “এনএসপি ফ্রিনেস সনদ যা ওআইই/বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা/ এফএও/ স্বনামখ্যত ল্যাব কর্তৃক হতে হবে এবং ঐ দেশের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/চেম্বার অব কমার্স/পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে হবে মর্মে উল্লেখ ছিল। কিন্তু বর্ণতি শর্ত সমূহ পিডি বা কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ওএমসি নামক প্রতিষ্ঠানের না থাকায় এনএসপি ফ্রি সনদটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের থাকলেও হবে বলে শিথিল করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিক ভাবে গ্রহণ যোগ্য নয়। এছাড়া রি-টেন্ডারে স্পেসিফিকেশন পরিবর্তন করার কোন সুযোগ নেই এবং পিপিআর এ কঠিনভাবে নিষেধ করা আছে এবং সরাসরি অনিয়মের পর্যায়ে পড়ে। এ ছাড়া রি-টেন্ডারের ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১৪ কর্মদিবস সময় দেয়ার কথা। কিন্তু দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে গত ৮ডিসেম্বর এবং দাখিলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২৩ ডিসেম্বর। সে ক্ষেত্রে সময় দেয়া হয়েছে মাত্র ১০ কর্ম দিবস । এক্ষেত্রেও পিপিআর-২০০৯ বিধি লংঘিত হয়েছে। এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক ডা: ওমর জোতি চাকমার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, মন্ত্রণালযের উর্ধ্বত কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সকলকে সুবিধা দানের জন্য স্পেসিফিকেশন ঠিক করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, ডিপিপি অনুযায়ী জুন/২৩ এর মধো ভ্যাকসিন কিনে বিতরন করার কথা ছিল। কিন্তু পিডি ও কর্তৃপক্ষের সবার স্বার্থ সংরক্ষিত না হওয়ায় বার বার পুনরায় পত্র আহ্বান করতে হচ্ছে। ফলে যে উদ্দেশ্যে প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছিল সেটি ব্যহত হচ্ছে। অন্যদিকে যথা সময়ে ভ্যাকসিন না কেনায় ডলারের মূল্য বৃদ্ধি জনিত কারণে ভ্যাকসিনের পরিমাণও কম নিতে হবে। যে ভ্যকসিন নেয়ার জন্য পিডি ও মন্ত্রণালয় উঠে পড়ে লেগেছে সেটি আর্জেন্টিনার তৈরী যা এ দেশের আবহাওয়ার সঙ্গে যুতসই হবে না বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।