ঢাকাTuesday , 3 March 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আইসিবি ক্যাপিটালের ৬ কর্মকর্তাকে দুদকে তলব

Link Copied!

ICBনিজস্ব প্রতিবেদন : ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ ছয়জন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আল আমিন তাদেরকে তলব করে চিঠি পাঠিয়েছেন।
চিঠিতে আগামী ৯ মার্চ রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য প্রদানের জন্য বলা হয়েছে।
দুদক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সূত্রটি জানায়, পুঁজিবাজারের তালিকাভূক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান আইসিবির সহযোগী প্রতিষ্ঠান আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের বিরুদ্ধে গ্রাহক প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।
যাদেরকে তলব করা হয়েছে- আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমন্টের সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আব্দুর রউফ, সাবেক উপ-প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তারেক নিজাম উদ্দিন আহমেদ, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ইউনুস চৌধুরী, এক্সিকিউটিভ অফিসার মিস ফাহমিদা ফারজানা, অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম ও মিস সায়মা জামান।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি আইসিবির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) মো. মশিউর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক।
দুদকে আসা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের গ্রাহক মেজর (অব.) মো. আবদুর রাজ্জাক ২০০৯ সালের ৭ অক্টোবর শেয়ারবাজারে তিনি ও তার স্ত্রীর নামে দু’টি হিসাব নম্বর খোলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি চার লাখ টাকা দিয়ে গ্রামীণফোনের শেয়ার ক্রয় করেন। আবদুর রাজ্জাক কোনো মার্জিন ঋণ গ্রহণ করেননি। অথচ ২০১৪ সালের ১৯ জুন আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে তাকে মার্জিন ঋণের কথা জানানো হয়।
ওই চিঠিতে বলা হয়, বিনিয়োগ হিসাব ৮৮৫০ এর বিপরীতে ৬ লাখ ৪২ হাজার ৮৫ টাকা মার্জিন ঋণ নেয়া হয়েছে। ঋণ পরিশোধ ও সমন্বয়ের জন্যই মূলত ওই চিঠি দেয়া হয়। একইভাবে আবদুর রাজ্জাকের স্ত্রী জাহানারা পারভীনের নামেও ৯ লাখ টাকা মার্জিন ঋণ দেখানো হয়েছে। এভাবে স্বামী-স্ত্রীর নামে মোট প্রায় সাড়ে ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।