দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ায় তারা ব্যাপক অপপ্রচারে নেমেছে। তারা আঞ্চলিক ও জাতীয় গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে পিরোজপুর জেলা বিএনপির অর্জিত সুনাম নস্যাৎ করতে অসত্য, মিথ্যা, বানোয়াট ও কাল্পনিক সংবাদ প্রকাশ অব্যাহত রেখেছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তারা ব্যাপক অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিগত ১৭ বছর অপপ্রচার চালিয়েও পিরোজপুর জেলা বিএনপির ক্ষতি করতে পারেনি তারা বরং বিএনপি আরো শক্তিশালী হয়েছে। দলের মধ্যে ঘাপটিমেরা থাকা একটি গোষ্ঠী পতিত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার আস্থাভাজন কতিপয় আওয়ামী নেতাদের সঙ্গে নিয়ে তারা অপপ্রচারে নেমেছে। তবে যে কোন মূল্যে অপপ্রচারকারীদের সমুচিত জবাব দিতে পিরোজপুর জেলা বিএনপি প্রস্তুত। দৈনিক পাঞ্জেরীর সঙ্গে একান্ত আলাপকালে উপরোক্ত মন্তব্য করেন পিরোজপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু। তিনি বলেন, দলের দুঃসময়ে তাদেরকে আমরা রাজপথে পাইনি, তারা এখন অতি বিপ্লবী। তারা আওয়ামী প্রেতাত্মাদের উপর ভর করেছে এবং ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে কথা বলছে। এই অপপ্রচারকারীরা গত ১৭ বছর পূর্বে মামার নাম ভাঙ্গিয়ে কোটি কোটি হাতিয়ে নিয়েছেন। এরপর আওয়ামী সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা আসায় তারা পিরোজপুর থেকে পালিয়ে যান। গত ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ঢাকা থেকে এলাকায় ফিরে পুনরায় মাথা চড়া দিয়ে উঠেছে। তারাই এখন অপপ্রচার চালাচ্ছে। গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু বলেন, গত ২০২২ সালের ১৫ এপ্রিল পিরোজপুর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার পর পিরোজপুর জেলা বিএনপি ও এর অন্তর্ভুক্ত প্রতিটি ইউনিট বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন শক্তিশালী দুর্গে পরিণত হয়। যে কারণে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে পিরোজপুর জেলা বিএনপি ব্যাপক সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়। গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলুর রয়েছে বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে ৯ম শ্রেণিতে পড়াকালীন অবস্থায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। এরপর পিরোজপুর সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজে পড়াবস্থায় জেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি পিরোজপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, জেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু পিরোজপুর সদর উপজেলায় দীর্ঘ ১৩ বছর বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে একাধিকবার কারারুদ্ধ হন। অসংখ্য মামলায় তাকে অভিযুক্ত করা হয়। ব্যাপক ব্যাপক নির্যাতিত ও নিপীড়িনের শিকার হয়েছেন তিনি। গাজী ওয়াহিদুজ্জামান লাভলু পিরোজপুর জেলা বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। অপরদিকে তিনি অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে পিরোজপুরবাসীকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাংগঠনিক শক্তি, দলীয় আনুগত্য এবং তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে ফ্যাসিবাদের দোসররাই পিরোজপুর জেলা বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে অপপ্রচারকারীদের চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

