ঢাকাSunday , 15 September 2024
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

টেলিটকের মার্কেটিং বন্ধ রাখার ঘোষণা ডিলারদের

Link Copied!

আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মোবাইল নেটওয়ার্ক সেবাদান প্রতিষ্ঠান টেলিটকের বর্তমান ও সাবেক ডিলারদের ন্যায্য পাওয়া আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে পরিশোধ করাসহ একগুচ্ছ দাবি জানিয়েছে টেলিটক ডিলারর্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ। এসব দাবি মেনে না নেওয়া পর্যন্ত সারা দেশে সকল ডিলাররা লিফটিং ও মার্কেটিং বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে।
রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে লিফটিং ও মার্কেটিং বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন সংগঠনের দুই সমন্বয়ক মো. রেজাউল করিম জাহাঙ্গীর ও মো. নুরুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মো. রেজাউল করিম জাহাঙ্গীর বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান টেলিটককে ধ্বংস করার লক্ষ্যে বিগত স্বৈরাচার সরকারের আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের আশীর্বাদ পুষ্ট হয়ে বর্তমান সেলস অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন ম্যানেজমেন্ট টেলিটককে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড় করিয়েছেন। এই গ্রুপের একমাত্র কাজ হলো টেলিটককে একটি লস প্রজেক্ট হিসাবে দাঁড় করিয়ে তৃতীয় পক্ষের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করে বড় আকারের কমিশন বাণিজ্য করা। এরই ধারাবাহিকতায় মার্কেটে সিমের চাহিদা থাকলেও চাহিদা মোতাবেক সিম ডিলারদের কাছে দেওয়া হয় না।
তিনি বলেন, রিটেইলারদের টেলি চার্জ ও পল্লী বিদ্যুৎ সেল করার জন্য টেলি-পে অ্যাপ সামান্য অজুহাতে মাঝে মাঝে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সিম অ্যাক্টিভেশন ও প্রথম রিচার্জ করতে অন্তত ২০ মিনিট সময় লাগে। যাতে করে রিটেলাররা টেলিটকের সিম বিক্রয় করতে অনীহা প্রকাশ করে। টেলিটকের টাওয়ারে ব্যাটারি ব্যাকআপের কোনো ব্যবস্থা নাই। কারেন্ট চলে যাওয়ার সাথে সাথেই নেটওয়ার্কও চলে যায়। আরও কষ্টের কথা হলো আমাদের এবং রিটেলারদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সিম প্যাকেজের প্রাপ্য ইউজেস কমিশন অফিস অর্ডার থাকা সত্ত্বেও আজ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।
তিনি আরও বলেন, এসব কারণে বর্তমানে আমাদের সকল ডিলাররা প্রতি মাসে আর্থিক এবং মানসিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। আমাদের মাসিক এস আর, সুপারভাইজার এবং বিপিদের বেতন বাবদ কম্পেনসেশন, বর্তমান জিএম সর্বশেষ ২০২১ সালের অক্টোবর, নভেম্বর ও ডিসেম্বর প্রদান করেছেন। কিন্তু জানুয়ারি ২০২২ সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রেখেছে।
জাহাঙ্গীর বলেন, টেলিটক প্রথমে প্রত্যেক ডিলারের কাছ থেকে জামানতস্বরূপ এক লাখ টাকা করে নেয় এবং পরবর্তীতে পল্লী বিদ্যুৎ/টেলিচার্জ বাবদ সারা বাংলাদেশের ডিলারদের কাছ থেকে ২০১৯ সালে ডিলার প্রতি ৩ লাখ থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সিকিউরিটি ডিপোজিট নেয়। কিন্তু বছরখানেক পর কিছু অসাধু কর্মকর্তা পল্লী বিদ্যুৎ বিল ও টেলিচার্জ ব্যবসা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওয়ার বাই টেলিটক হিসেবে চুক্তি করে। এতে ডিলারদের বিদ্যুৎ বিল ও টেলিচার্জ ব্যবসা কমতে শুরু করে এবং ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে চলে আসে।