সাংবাদিকের উপরে হামলার ঘটনায় অবশেষে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আওয়ামীপন্থী সেই ট্রেড লাইসেন্স সুপারভাইজার মাহমুদুল হাসান রোকনসহ তার বাহিনীর বিরুদ্ধে মামলা নিয়েছে মিরপুর মডেল থানা পুলিশ। মামলা নম্বর-৯। তারিখ ০৪/০৯/২০২৪। এর আগে গত তিন মাস পেরিয়ে গেলেও আওয়ামী পুলিশ মামলাটি নথিভুক্ত করেনি। মামলায় উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২৩ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ১০-১২ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে এই মামলা দায়ের করা হয়। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পুলিশ জড়িতদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। উল্লেখ্য, গত ১৬ মে দৈনিক পাঞ্জেরীর বিশেষ প্রতিনিধি ওসমান গনি বাবুল ট্রেড লাইসেন্স শাখার অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট করতে গেলে মামলার প্রধান আসামী মাহমুদুল হাসান রোকন ও তার সহযোগীরা তার উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে তাকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে মামলা করতে গেলে অভিযুক্তরা আওয়ামী পন্থী হওয়ায় পুলিশ মামলা নেয়নি।
মামলায় অপর অভিযুক্তরা হচ্ছেন, অঞ্চল-৪ এর কার্য সহকারী আব্দুর রাজ্জাক শেখ, অঞ্চল -২ এর অফিস সহায়ক জসিম উদ্দিন হাওলাদার, মাস্টার রোল ক্লিনার আনোয়ার হোসেন খোকন (বর্তমানে অফিস সহায়ক লাইসেন্স শাখা), লাইসেন্স সুপারভাইজার আব্দুল ওয়াহেদ খান বাদল, স্প্রে ম্যান জাকারিয়া, অঞ্চল-৪ এর লাইসেন্স সুপারভাইজার সৈয়দ মাসুম হোসেন, রেভিনিউ সুপারভাইজার মইনুল, উপকর কর্মকর্তা মাইদুল ইসলাম, কর কর্মকর্তা রাকিবুল হাসান মিরাজ, সিটি কর্পোরেশনের অঞ্চল-৫ এর শ্রমিক লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হারুন মিয়া, অঞ্চল-৪ এর বিদ্যুৎ সহকারী নান্নু, হামলায় নেতৃত্বদানকারী লাইসেন্স সুপারভাইজার মাহমুদুর রহমান রোকনের সহকারী টেন্ডুল আল আমিন, রোকনের অপর সহযোগী মোরসালিন, অঞ্চল-৩ এর কর কর্মকর্তা শাহীন দেওয়ান, কর কর্মকর্তা শাহেদ জোহর, অঞ্চল-২ এর কর কর্মকর্তা জুবায়ের ইসলাম ভূঁইয়া, উপকর কর্মকর্তা ফারুক হোসেন, টেন্ডুল আকাশ, অঞ্চল-৪ এর স্প্রেম্যান আব্দুল ওয়াজেদ, অঞ্চল-৪ এর লাইসেন্স সুপারভাইজার আবুল হাশেম, টিকাদানকারী তপু ও অফিস সহকারি আব্দুল ওয়াজেদ।

