ঢাকাSaturday , 28 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নতুন গ্যাস সংযোগ দেয়া হবে না

Link Copied!

toufik-e-elahiনিজস্ব প্রতিবেদক : যেসব জায়গায় আগের কোনো গ্যাসের লাইন নেই সেখানে নতুন করে সংযোগ দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহী। এজন্য শিল্প-কারখানা স্থাপনে আগ্রহীদের যেখানে-সেখানে কারখানা স্থাপন না করে ইকোনমিক জোনে (অর্থনৈতিক অঞ্চল) আসার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাষ্ট্রি (ডিসিসিআই) আয়োজিত ‘জ্বালানি ব্যবস্থার উন্নয়ন: সহজতরভাবে গ্রহীতার কাছে পৌঁছানো’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তৌফিক-ই-এলাহী বলেন, ‘আমরা ১৭টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে কাজ করছি। এ অঞ্চলগুলোতে গ্যাস, বিদ্যুৎ, যোগাযোগ থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় সবকিছুরই সুব্যবস্থা থাকবে। তাই এখন যারা চিন্তা করছেন শিল্প-কারখানা তৈরির তাদের আমি বলবো এসব জায়গায় আসতে।’
২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ গ্রাহক বিদ্যুৎ সুবিধা পাবেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের ৭০ ভাগের ওপরে লোকজন বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করছেন। আমরা ২০২১ সালের অনেক আগেই শতভাগ মানুষকে এ সেবার আওতায় আনতে পারবো। কারণ আমরা ইতোমধ্যে ভারত থেকে বিদ্যুৎ এনেছি। মালেয়শিয়া, নেপাল, ভুটানের সঙ্গে এ ব্যাপারে আলোচনা হচ্ছে।’
এছাড়া আঞ্চলিক সহযোগিতার মধ্যদিয়ে কীভাবে জ্বালানি সম্পদ কাজে লাগানো যায় সে বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ‘শিল্প কারখানার জন্য বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করাটা খুব জরুরি। কারণ উদ্যোক্তারা যখন একটি কারখানা স্থাপন করার চিন্তা করেন তখন তারা বিদ্যুতের জন্য কতটাকা বরাদ্দ রাখতে হবে তা ঠিক করতে পারেন না। ফলে তাদের পরিকল্পনার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়।’
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী তিন-চার বছরের মধ্যে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নিয়ে কাজ শুরু করার কথা জানান তিনি।
বাংলাদেশে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যা সমাধান করে কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায় এমন প্রশ্নের জবাবে তৌফিক ই এলাহী বলেন, ‘আপনারা যারা বেসরকারি খাতের শিল্পোদ্যোক্তা তারা বিষয়টি নিয়ে ছোট ছোট করে গবেষণা করেন। তারপর আমাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। আমরা আপনাদের সমস্যাগুলো নিয়ে কথা বলবো, কাজ করবো। তাহলে একটা স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
এদিকে, সেমিনারে উপস্থাপিত হওয়া এক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে দেখানো হয়, শিল্প কারখানাগুলো বিদ্যুতের নির্ভরশীলতা এখন অনেকটাই কমিয়ে দিয়েছে। মূল্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন সমস্যার স্থায়ী সমাধান না থাকা এর প্রধান কারণ বলে জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা চেম্বারের সভাপতি হোসেন খালিদ। তিনি বলেন, ‘এখন থেকে যদি সরকার বেসরকারি খাতকে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে তবে আমরা ৩০তম অর্থনীতির দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবো। যেখানে অর্থনীতির আকার হবে ১ ট্রিলিয়ন ডলার। আপনারা সুযোগ দিলেই আমরা এটা করে দেখাতে পারবো।’
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান এএসএম আলমগীর কবীর, ডিসিসিআইয়ের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হুমায়ুন রশীদসহ বেশকজন ব্যবসায়ী।