কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি ও কারফিউ জারির কারণে গত সপ্তাহে টানা ৫দিন বন্ধের পর শেষ ২দিন ব্যাংকের সীমিত সংখ্যক শাখা খোলা ছিল। ব্যাংক খোলা ছিল ৪ ঘণ্টা। রোববার থেকে দেশের সব শাখা খোলা থাকবে। লেনদেন হবে বেলা ১০টা থেকে ৩টা পর্যন্ত। লেনদেন শেষে আনুষঙ্গিক কাজ গোছাতে ব্যাংক খোলা থাকবে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত। কারফিউ শিথিলতা আরও বাড়িয়ে রোববার থেকে মঙ্গলবার (২৮-৩০ জুলাই) সরকারি-বেসরকারি সব অফিস ছয় ঘণ্টা করে চলবে বলে শনিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। এই তিন দিন সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত অফিস খোলা থাকবে। অন্য সব অফিস ৯টায় শুরু হলেও ব্যাংকিং সময় শুরু সকাল ১০টা থেকে। বিশেষ পরিস্থিতির কারণে অন্য সব অফিসের মতো গত বুধ ও বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত চার ঘণ্টা ব্যাংক লেনদেন হয়। তার আগে তিন দিন সাধারণ ছুটির কারণে সব বন্ধ ছিল। আন্দোলন ঘিরে তৈরি হওয়া পরিস্থিতির মধ্যে গত শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে কারফিউ ঘোষণা করে সরকার। সাধারণত ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ব্যাংকিং লেনদেন হয়। আর লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কাজ গোছানোর জন্য ব্যাংক খোলা থাকে ৬টা পর্যন্ত। সাধারণ সময়ে অন্য সব অফিস চলে সকাল ৯টা থেকে ৫টা পর্যন্ত। কারফিউর মধ্যে বুধ ও বৃহস্পতিবার সীমিত সংখ্যক শাখা খোলা রেখে লেনদেন হয়। বুধবার থেকে বেশিরভাগ এটিএম বুথও খোলা হয়। টাকা তোলার চাপ ব্যাপক বেড়ে যায়। গত সপ্তাহে বাণিজ্যিক লেনদেন সেভাবে শুরু না হলেও শুধু গত বুধবার সঙ্কটে থাকা ব্যাংকগুলো একদিনেই ধার করে ২৯ হাজার ১৭২ কোটি টাকা। এর মধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ধার করে ২৫ হাজার ৫২১ কোটি টাকা। এক ব্যাংক আরেক ব্যাংক থেকে নেয় তিন হাজার ৬৫১ কোটি টাকা।

