ঢাকাMonday , 23 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঢাকা উত্তরের জন্য ২৭৯ কোটি টাকার ঋণ চুক্তি

Link Copied!

kuwaitনিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের অবকাঠামো উন্নয়নে ২৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা দিচ্ছে কুয়েত ফান্ড ফর আরব ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট।
এ লক্ষ্যে আজ সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে সরকার ও কুয়েত ফান্ডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
বাংলাদেশের পক্ষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন এবং কুয়েত ফান্ডের পক্ষে উপ-মহাপরিচালক হামাদ আল-ওমর চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ইআরডি সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুর, মোহাম্মদপুর, আগারগাঁও এবং ভাষানটেক এলাকার রাস্তাঘাট উন্নয়নের মাধ্যমে দুর্ঘটনা ও যানজট কমানো, ফুটপাত ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সড়ক বাতি স্থাপনের মাধ্যমে এলাকাবাসীর আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন করতে ইমপ্রুভমেন্ট অব আরবান রোড ইন নর্থ ঢাকা সিটি করপোরেশন প্রকল্পটি হাতে নিয়েছে সরকার।’
কুয়েত ফান্ড বাংলাদেশের দীর্ঘ দিনের উন্নয়ন সহযোগী উল্লেখ করে মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ‘কুয়েত ফান্ড ১৯৭৪ সাল থেকে বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে আসছে। কুয়েত ফান্ড সাধারণত অনুদান এবং ঋণ আকারে বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। এ আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশের বহু উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে।’
এ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৩১০ কোটি ২৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে কুয়েত ফান্ড ২৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং বাকি ৩০ কোটি ৭৫ লাখ টাকার যোগান দেবে বাংলাদেশ সরকার।
কুয়েত ফান্ড কর্তৃক ঋণ ৫ বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ২৫ বছরে পরিশোধ করা হবে; যার বার্ষিক সুদের হার ১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সার্ভিস চার্জ শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। প্রকল্পটি ২০১৫ সালের জুলাই থেকে ২০১৭ সালের জুন মেয়াদে বাস্তবায়ন করা হবে।