ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর পুরুষ ভোটার ছয় কোটি ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন; আর নারী ভোটার পাঁচ কোটি ৯৭ লাখ ৪ হাজার ৬৪১ জন।
হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, দেশে মোট ভোটার এখন ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন।
শনিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ভোটার দিবসে ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম এ তথ্য জানান। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য হল ‘সঠিক তথ্যে ভোটার হব, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলব’।
প্রতিবছর ভোটার তালিকা হালনাগাদ শেষে ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।
গতবছরের এই দিনে ভোটার ছিল ১১ কোটি ৯১ লাখ ৫১ হাজার ৪৪০ জন।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আরও ৫ লাখ নতুনদের যুক্ত করে ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৮৯ হাজার ২৮৯ জন।
পরে নতুন বছরের ১ জানুয়ারি যারা ভোট দেওয়ার যোগ্য হয়েছেন, তাদের তথ্য হালনাগাদ করে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে লাখ ৬০ হাজার ৮৭১ জন।
শরিফুল আলম বলেন, “ভোটার সংখ্যার এ বৃদ্ধির হার ২.২৬%। সব মিলিয়ে এখন ভোটার দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ১৮ লাখ ৫০ হাজার ১৬০ জন। যা প্রায় ১৭ কোটি মোট জনসংখ্যার ৭১.৭৪%।
২০০৭-২০০৮ সালে নবম সংসদের আগে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। এ ধারাবাহিকতায় প্রতি বছর নতুন করে ভোটারযোগ্যরা তালিকাভুক্ত হন এবং মৃতদের বাদ দেওয়া হয় হালনাগাদে।
সবশেষ ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন থাকায় ২১ জানুয়ারি হালনাগাদের ভোটারযোগ্যদের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেন ইসি।
হালনাগাদে খসড়া তালিকার ২০ লাখ ৬০ হাজার ১৬১ জন ও রিভাইজিং অথরিটির যাচাই-বাছাই শেষে ৭৪ হাজার ৭১০ জন যুক্ত হয়।
২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি যাদের বয়স ১৮ বা তার বেশি হয়েছে, হালনাগাদে এমন এবার যুক্ত হয়েছে ২১ লাখ ৬০ হাজার ৮৭১ জন।
জনসংযোগ পরিচালক মো. শরিফুল আলম জানান, এদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ছয় কোটি ২১ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন; আর নারী ভোটার পাঁচ কোটি ৯৭ লাখ ৪ হাজার ৬৪১ জন।
এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার আছেন ৯৩২ জন।

