আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে পালিত হবে জাতীয় বস্ত্র দিবস। এ দিবসের উদ্বোধন করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার দুপুরে, সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দিবসটি উদযাপনের বিস্তারিত তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে করেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। এসময়, বস্ত্র ও পাট সচিব আব্দুর রউফ, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নূরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ঠিক করা হয়েছে ‘স্মার্ট টেক্সটাইলে সমৃদ্ধ দেশ- বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’। এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের অর্থনীতিতে বস্ত্রখাত প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত। সরকার বস্ত্রখাতের অংশীজনদের সাথে সমন্বয় করে এ খাতের উন্নয়নকে গতিশীল রাখার পাশাপাশি বস্ত্র অধিদপ্তর পোষক কর্তৃপক্ষের সকল সেবা ওয়ানস্টপ সার্ভিস এর মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে প্রদান করছে। বস্ত্র শিল্পের উন্নয়ন ও বিকশিত করার নিবন্ধিত বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনের মাধ্যমে কমপ্লায়েন্স পর্যবেক্ষণ ও নিশ্চিত করা হচ্ছে।’
বস্ত্র মন্ত্রী আরও বলেন, ‘বর্তমানে তৈরি পোষাক শিল্পে উন্নতমানের ২০৬টি সবুজকারখানা নিয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ।’ সাম্প্রতিক ভারত সফরে তিস্তা ইস্যু নিয়ে কোন আলোচনা হয়েছে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘তিস্তা চুক্তির আগে দুই দেশের অনেক বড় বড় সমস্যাগুলো দুই সরকারের সদিচ্ছার কারণে, বন্ধত্বপূর্ণ সম্পর্কের কারণে সমাধান হয়েছে। ভারত আমাদের প্রতিবেশি বন্ধুদেশ। ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্বের সীমারেখা দেওয়া যাবে না। ভারতের সাথে আমাদের বন্ধুত্ব রক্তের অক্ষরে লেখা। ভারতের সাথে যে সমস্যা রয়েছে আমরা মনে করি, সমগ্র ভারত এখন নির্বাচন উন্মুখ এবং নির্বাচনমুখী। আমি যে কথা বলতে চেয়েছি, আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। ভারতের এ গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সবাইকেই আমি অপেক্ষার জন্য বলেছি। তিস্তা ইস্যু নিয়ে অনেক দূর আলোচনা এগিয়ে রয়েছে। এখন সমাপ্তির জন্য অপেক্ষা করছি আমার।’
জাতীয় বস্ত্র দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে মূল অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানে বস্ত্রখাতের উন্নয়ন, উৎকর্ষতা সাধন, বস্ত্র শিক্ষার সম্প্রসারণ ও রপ্তানি বাড়াতে ভূমিকা রাখায় ১১টি সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মাননা দেয়া হবে।

