পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের ফল ঘোষণা হয়ে গেছে আগেই। মানসেরার পিকে-৪০ আসনের ১৭৩টি ভোটকেন্দ্রের ভোট আবারও গণনা করেছে নির্বাচন কমিশন। গণনার পর এই আসনে জয় পেয়েছেন নওয়াজ শরীফের দল পিএমএল-এন এর সরদার শাহজাহান। খবর জিও নিউজ।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের নেতা শাকুর লুঘমানি ভোট পুনঃগণনার আবেদন করেছিলেন। ৮ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে এই আসন থেকে ৩২৮টি ভোটে হেরে যাওয়ার পর ফলকে চ্যালেঞ্জ করেন পিটিআইয়ের শাকুর। এর প্রেক্ষিতে ভোট পুনঃগণনার আদেশ দেন রিটার্নিং অফিসার।
রিটার্নিং অফিসারের কর্মীরা সরদার শাহজাহান ও আবদুল শাকুরের আইনজীবীদের উপস্থিতে ভোট পুনরায় গণনা করেন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী সরদার শাহজাহান পেয়েছেন ৪৩ হাজার ১৪ ভোট আর লুঘমানি পেয়েছেন ৪২ হাজার ৯১৮টি ভোট।
৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে সাধারণ পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ৬০ ঘণ্টা পর প্রকাশিত ফলে দেখা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ১০২টি আসন, পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ৭৪টি এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ৫৪টি। এ ছাড়া মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান (এমকিউএম) ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। অন্য দলগুলো পেয়েছে ১৭টি আসন। পাকিস্তানে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১৩৪ আসন। কিন্তু কোনো দলই এই সংখ্যায় না পৌঁছানোয় জোট সরকার গঠনের পদক্ষেপ নেন দেশটির রাজনীতিবিদরা।
তবে এই নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে পিটিআই, পিপিপি, জামায়াতে ইসলামী ও জমিয়াত উলেমা-ই-ইসলাম ফজল (জেইউআই-এফ) এর মতো দলগুলো। যুক্তরাষ্ট্রও পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন কমিশন গঠন করে নির্বাচনের অভিযোগ নিয়ে তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে।

