অবৈধভাবে এমপিওভুক্তি, গ্রেড পাইয়ে দেওয়া বদলি বাণিজ্যে, অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতাসহ সীমাহীন দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) দুইজন উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস ও সহকারী পরিচালক রূপক রায়সহ তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) প্রধান কার্যালয়ের ‘শিক্ষাভবন’ অনিয়ম দুর্নীতি বদলি বাণিজ্য পুরনো চেহারায় ফিসে এসেছে। সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক কাজের এ প্রতিষ্ঠানটিতে চলছে অনিয়ম ও দুর্নীতির মহোৎসব। টাকা দিলেই পাওয়া যাচ্ছে বদলির অর্ডার। সংশ্লিষ্ট উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস ও রূপক রায় এই ঘুষ বাণিজ্যের সাথে জড়িত বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ পদে চাকরি করে নিজস্ব বলয়ে জেলা পর্যায়ে ভিন্ন ভিন্ন সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। আর এই সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ঘুষ বাণিজ্য থেকে শুরু করে নানা লবিং তদবির বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন তারা। মাউশি যেনো ওই কর্মকর্তাদের নিজস্ব সম্পত্তির রূপ নিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, কেউ বদলির জন্য আবেদন করলে সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তারা মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। অনেকে বদলির অর্ডার পেলেও টাকা দিতে না পারায় তাদের বদলি হয় না। আরো জানা যায়, মাঠ পর্যায়ের অনেক শিক্ষা কর্মকর্তারা নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির সাথে জড়িত রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেও কোনো ব্যবস্থা নেয় না মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাঠ পর্যায় থেকে এসব কর্মকর্তা নিয়মিত সংশ্লিষ্ট দপ্তরে টাকা পাঠান। এ কারণে ৩ বছরের বেশি সময় একই স্থানে থাকা যাবে না এমন নির্দেশনা থাকলেও ৩ বছরের অধিক সময় একই জেলা ও উপজেলায় কর্মরত রয়েছেন একাধিক শিক্ষা কর্মকর্তারা। শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্ট শিক্ষক কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সেবাদানের জন্য প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হলেও এখন চলছে উল্টো চিত্র। প্রতিষ্ঠানটির ঘুষ বাণিজ্য এখন নিয়মিত ব্যাপার। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারি, উপজেলা শিক্ষা অফিসার, মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক বদলিতে অবাধে চলছে ঘুষ ও তদবির বাণিজ্য।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি আদেশে ৫৫ কর্মরত কর্মচারিদের ১৩/১১/২৩ ইং তারিখে:-২৩.১৮৪০৪ স্মারক মূলে জেলা ও উপজেলায় বদলি/পদায়নের নির্দেশ প্রদান করেন। ১৪/১১/২৩ ইং তারিখে আরো একটি আদেশে ২৩ জন কর্মরত কর্মচারিদের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বদলি/পদায়নের নির্দেশ প্রদান করেন।যাহার স্বারক নং-(৩৭.০২.০০০০.১০১.১৯.০০৮.২৩.১৮৫৫২)। এই (৫৫+২৩) মোট ৭৮ জন কর্মরত কর্মচারিদের বিভিন্ন অফিসে বদলি/পদায়নের জন্য কোটি টাকার বেশি ঘুষ বাণিজ্যে সম্পৃক্ত উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস ও সহকারী পরিচালক রূপক রায়। টাকার মোহে পড়ে ডিডি প্রশাসনের নির্দেশে শিক্ষা অফিসের কিছু সৎ কর্মরত কর্মচারিদের বিনা অপরাধে বিভিন্ন দপ্তরে বদলি করেন। আবার মোটা অঙ্কের ঘুষের টাকার বিনিময়ে পছন্দের লোকদের তাদের পছন্দমত জায়গায় বদলি করেন।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এমপিওভুক্তির জন্য আগে শুধু শিক্ষা ভবনে ঘুষ দিতে হতো। আর এখন দফায় দফায় ঘুষ দিতে হচ্ছে কমপক্ষে তিনটি ঘাটে-উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস, জেলা শিক্ষা অফিস ও আঞ্চলিক উপ-পরিচালকের কার্যালয়। তাই দুর্নীতিবাজের মধ্যে মাউশির প্রধান কার্যালয়ের দুই উপ-পরিচালক, সহকারী পরিচালক, আঞ্চলিক উপ-পরিচালক, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এবং ঐসব দপ্তরের কর্মচারিরা আছেন। তার মধ্যে ঘুষ বাণিজ্য ও বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কর্মকা-ের অন্যতম নাম উঠে এসেছে হিসাব রক্ষক মনিরুজ্জামানের। ঘুষ ও দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে মনিরুজ্জামান পিচ্চি মনির সারা দেশে খ্যাতি অর্জন করেছে। উপ-পরিচালককেও ‘নিয়ন্ত্রণ’ করেন এই মনির হিসাবরক্ষক হিসেবে মনিরের ঘুষকীর্তি, দুর্নীতি করে তার অবৈধ সম্পদের পরিমাণ শত শত কোটি টাকার ঊর্ধ্বে। মাউশি প্রধান কার্যালয়ের পরিচালকদের যোগসূত্রে বাম হাতে টাকা নিলে ডান হাতে কাজ করে নিমেষেই। এমপিওভুক্তি, বদলি, গ্রেড পাইয়ে দেওয়া এক তুড়িতেই সমাধান। বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারিরা তাকে পিচ্চি মনির নামেই চেনেন। মাউশির প্রধান কার্যালয়ের সোনার ডিম হিসাবরক্ষক মনিরুজ্জামান মনির। ক্যাশিয়ার আর ঘুষের রসায়নে চুয়াডাঙ্গার ছেলে মনির এখন টাকার পাহাড়ের চূড়ায়। তবে ‘গভীর জলের মাছ’ মনির অধিকাংশ সম্পদই গড়েছেন স্ত্রী, শ্বশুর ও আত্মীয়-স্বজনের নামে। সব মিলিয়ে তিনি এখন শত শত কোটি টাকার মালিক।
ব্যাপক অনুসন্ধানে জানা যায়, হিসাবরক্ষক মনিরুজ্জামান পিচ্চি মনির ২০০৫ সালে সরকারি চাকরিতে যোগদান করে। এই মনির ২০১৪ সাল পর্যন্ত ঢাকা শিক্ষা ভবনে মাউশির প্রধান কার্যালয়ে স্কুল শাখায় চাকরি করেছেন। তখন বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের এমপিওভুক্তির কাজ কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষা ভবন থেকেই হতো। তখন থেকেই মনির ঘুষ বাণিজ্যের সোনার খনি হাতে পেয়ে যায়। ২০১৪ সালে তা বিকেন্দ্রীকরণ করে মাউশির ৯টি অঞ্চলে ভাগ করে দেওয়া হয়। মনির সে সময় তাঁর নিজের বিভাগ খুলনা আঞ্চলিক অফিসে পদায়ন নেন। খুলনা ডিডি অফিসে থাকাকালীন সময়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মনির। ছুটির দিনে মনির নিজের প্রাইভেট কার নিয়ে জেলাগুলোতে ঘুষ সংগ্রহে বের হয়। ২০২০ সালে হিসাবরক্ষক মনিরুজ্জামানকে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে খুলনা উপ-পরিচালকের কার্যালয় হতে বর্তমান ডিডি তাকে বগুড়া সোনাতলা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে বদলি করেন। ব্যাপক দুর্নীতির কারণে মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে ৩টি অভিযোগের বিষয়টি নিয়ে ২০১৯ সাল থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন খুলনা (দুদক) কর্তৃপক্ষের তদন্ত চলমান রয়েছে। দুদক কর্তৃক তদন্ত চলমান থাকা অবস্থায তাকে:-৩৭.০২.০০০০.১০১.১৯.০০৮.২৩.১৮৫৫২ নং স্মারক মূলে ১৪/১১/২০২৩ ইং তারিখে একজন শীর্ষ দুর্নীতিবাজ কর্মচারিকে কিভাবে আবার বাগেরহাট জেলা শিক্ষা অফিসে বদলি করা হলো।
এই দুর্নীতিবাজ মনিরুজ্জামান মনি দীর্ঘদিন ঢাকা শিক্ষা অধিদপ্তরে চাকরি করাকালীন সময়ে সেখান থেকে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও ভর্তি করিয়ে দেওয়ার নাম করেও কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এই দুর্নীতির কারণে তাকে অধিদপ্তর শাস্তিমূলক বদলি করেন। দুর্নীতির মাধ্যমে মনিরুজ্জামান মনি বিভিন্ন ব্যাংকে নামে-বেনাম টাকার পাহাড় গড়েছেন। বর্তমানে বাগেরহাট জেলায় শিক্ষা অফিসে বদলি করা হলেও মনির খুলনা শহরে করিম নগরে সেলিনা প্যালেসে বিলাসবহুল একটি বাসায় থাকেন। এই মনির একজন নারী লোভী। করিম নগরে সেলিনা প্যালেসের বাসায় মনির বিভিন্ন নারী নিয়ে অনৈতিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকে বলে গুঞ্জন রয়েছে। বিভিন্ন স্থানে বদলি হলেও মনির খুলনার বাসা কখনো ছাড়েনি। ধারণা করা হয়, এই সেলিনা প্যালেসর জমি নিজ নামে অথবা বেনামে ক্রয় করেছে। খুলনা ডুমুরিয়া মৌজায় শ্মশান ঘাট ও রায়ের মহল এলাকায় (৭+৭)= মোট ১৪ শতক জমি ২০১৯ ও ২০২০ সালে নিজ নামে ক্রয় করে। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি টাকা। কুষ্টিয়া জেলা শিক্ষা অফিসের সামনে তাঁর ৩ তলা বিশিষ্ট বাড়ি রয়েছে। মনিরুজ্জামান (পিচ্চি মনির) তার পরিবারকে নিয়ে রাজকীয়ভাবে জীবন যাপন করছে। মনিরের রয়েছে দুই স্ত্রী ও অসংখ্য গার্লফ্রেন্ড। ১ম স্ত্রীর নাম রিমা খাতুন ও ২য় স্ত্রীর নাম সোনিয়া খাতুন। তার দুই স্ত্রীর দু’জনের জন্য রয়েছে দুই শহরে পৃথক বাড়ি। রাজধানী ঢাকায় মনিরের কেনা বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে আয়েশি জীবন কাটাচ্ছেন স্ত্রী রিমা। মোহাম্মদপুর শিয়া মসজিদের পাশে ১ হাজার ৭৮০ বর্গফুটের ওই ফ্ল্যাটের দাম কোটি টাকা বেশি। রাজধানীর বিভিন্ন ব্যাংকে রিমার নামে রয়েছে কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র ও এফডিআর। নিজ জেলা চুয়াডাঙ্গার মুসলিমপাড়ায় ১৪ কাঠা জমির ওপর মনিরের রয়েছে নিজস্ব একটি বাগানবাড়ি। স্থানীয়রা জানান, জমিসহ এ বাড়ির আনুমানিক দাম কয়েক কোটি টাকা। ওই জমির ১০ কাঠার মালিকানা করে রেখেছেন প্রথম স্ত্রীর বাবার নামে। বাকি চার কাঠা নিজের নামে। চুয়াডাঙ্গা শহরের জোলের ধারে ৪তলা বাড়িতে তার বসবাস। কোটি টাকা দামের ঐ বাড়ি স্ত্রী সোনিয়ার নামে। শহরের লিনার মোড়েও রয়েছে ৫০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের সম্পত্তি। মনির চুয়াডাঙ্গায় ২য় স্ত্রীর স্বজনদের নামে একাধিক ব্যাংক হিসাব খুলেছেন। সেই হিসাবগুলোতে টাকার স্থিতি কত, সেটা নিরূপণ করা যায়নি। তবে তার ১ম স্ত্রীর নামে ৭৭ লক্ষ টাকার তথ্য পায় দুদক কর্তৃপক্ষ। মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে স্থানীয় এক নেতার নামে মনির কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ৯৯ বিঘা জমি ৮০ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে চাষাবাদও করছেন। মনিরুজ্জামান মনি যে টাকা বেতন ভাতা পায় সেখান থেকে জিপিএফ ফান্ড হতে লোন বাবদ টাকা কর্তনের পর বাকি ৭ হাজার ৫শ’ টাকা পায়। অথচ থাকেন আলিশান বাড়িতে। মনির যশোর থেকে ঢাকায় যাতায়াত করেন বিমানে। এটি কি কিভাবে সম্ভব! তার এ টাকার উৎস কোথায়?
অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, ঢাকা শিক্ষা ভবন (মাউশির) যোগসাজশে ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতিবাজ অফিস সহকারী আরিব বিল্লাহর নাম। সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসে অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মো. আরিব বিল্লাহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে:-২৩.১৭৫৪৫ স্মারক মূলে ২২-১০-২৩ ইং তারিখে তাকে বদলি করা হয় সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে। সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসে ঘুষ বাণিজ্য ও অবৈধ ইনকামের লোভ সামলাতে পারিনি আরিব বিল্লাহ। তাই সে সাতক্ষীরা জেলা অফিসে আসার জন্য উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের সাথে তদবির বাণিজ্য করেন। বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস মোটা অঙ্কের ঘুষ গ্রহণ করে ১৩-১১-২৩ ইং তারিখে:-২৩.১৮৪০৪ স্মারক মূলে বদলি আদেশ স্থগিত করে আরিব বিল্লাহকে সাতক্ষীরা জেলা অফিসে আবার বহাল রাখেন। যা সম্পূর্ণ আইনবহির্ভূত।
জানা যায়, এই আরিব বিল্লাহ অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর পদে ১৬-০৮-২০১৭ ইং তারিখে সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে যোগদান করেন। প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সাথে ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঐ সময় সাতক্ষীরা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক একই সাথে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসের দায়িত্বরত ছিলেন। আব্দুল্লাহ আল মামুন তার নিজের সুবিধার জন্য আরিব বিল্লাহকে ২১-০৫-২০১৮ ইং তারিখে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসে বদলি করে আনেন। এই আরিব বিল্লাহ সাতক্ষীরা জেলা অফিসে চাকরি করার সুবাদে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অনলাইন এমপিওভুক্তি ও ডিজি প্রতিনিধি স্বীকৃতি নবায়নের নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। দুর্নীতিবাজের মধ্যে মাউশির প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের জেলাভিত্তিক একজন ঘুষ বাণিজ্যের একজন সক্রিয় ব্যক্তি আরিব বিল্লাহ। যে কারণে আরিব বিল্লাহকে বদলি আদেশ বাতিল করে পুনরায় সাতক্ষীরা জেলা অফিসে বহাল রাখে।
সরেজমিনে আরিব বিল্লাহ স্বীকার করে বলে ডিডি (প্রশাসন) বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের মাধ্যমে সে সাতক্ষীরা জেলা শিক্ষা অফিসে বহাল রয়েছে।
হিসাবরক্ষক মনিরুজ্জামানের মোবাইল ফোনে কল দিলে সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। একাধিক বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। বদলি বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে উপ-পরিচালক বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস ও সহকারী পরিচালক রূপক রায়ের কাছে মোবাইলে ফোনে যোগাযোগ করা হলে দু’জনই একই বাক্যে বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ডিজি মহোদয় নেহাল আহমেদের নির্দেশে সবকিছু করেছি। আমাদের করার কিছুই নেই, আমরা হুকুমের নির্দেশ পালন করি মাত্র।’

