ঢাকাTuesday , 17 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিক্ষাখাত রাজনীতিমুক্ত রাখার দাবি

Link Copied!

porikromaনিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় রেখে শিক্ষাখাতকে সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক কর্মসূচিমুক্ত রাখার দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।
মঙ্গলবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মাসিক ম্যাগাজিন ‘বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমা’ আয়োজিত ‘দেশ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে ধ্বংসের হাত থেকে শিক্ষাব্যবস্থা রক্ষায় এ মুহূর্তে করণীয়’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনা সভায় বক্তারা এ দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, যে রাজনীতির কর্মসূচি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন অনিশ্চিয়তায় ফেলে দেয় এমন কর্সসূচি আমরা চাই না। এজন্য হরতাল অবরোধের মতো রাজনৈতিক কর্সসূচির কারণে ধ্বংসের হাত থেতে শিক্ষাখাত রক্ষায় শিক্ষাখাতকে রাজনৈতিক কর্মসূচিমুক্ত রাখতে হবে। পাশাপাশি দেশের প্রত্যেক বিবেকবান মানুষকে এর বিরুদ্ধে এক সোচ্চার হতে হবে।
সভায় শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমানে যা হচ্ছে তা হচ্ছে স্বাধীনতা যুদ্ধের বর্ধিত লড়াই। এটাকে আন্দোলন বলা চলে না। এটা চেতনায় ও আদর্শগত লড়াইয়ের পরিসমাপ্তি।’
তিনি বলেন, ‘আজকে ১৫ লাখ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারছে না। এরা তো শুধু আওয়ামী লীগের সন্তান না, এর সবার সন্তান। তাই কেউ দলবাজী না করে এই সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে এগিয়ে আসতে হবে। না হয় পেট্রোলবোমার আগুনের উত্তাপ যে কারোর গায়েই লাগতে পারে।’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এখন যা চলছে তা কোনো রাজনীতির পর্যায়ে পড়ে না। এখানে সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে মারা হচ্ছে। এটা সন্ত্রাসী, তাই সন্ত্রাস দমনে আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা উচিৎ। পাশাপাশি এ সন্ত্রাস দমনে সকলকে এগিয়ে আসা উচিৎ।’
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিনা আক্তার বানু বলেন, ‘পৃথিবীর কোথাও নেই রাজনীতির কারণে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে। আর তারা আন্দোলনের নামে পরীক্ষা বন্ধ করার পায়তারা করছে। তাই শিক্ষাক্ষেত্রকে রাজনীতিমুক্ত রাখতে হবে। যা হবে শিক্ষাঙ্গনের বাইরে হবে। এজন্য শিক্ষক-অভিভাবকদের এগিয়ে আসতে হবে।’
সভায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমার সম্পাদক হারুন-অর রশিদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য দেন- সোনাগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর এম এ রাজ্জাক, বিশ্ব শান্তি মিশনের চেয়ারম্যান ড. কমল কুমার সাহা, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম প্রমুখ।