ঢাকাThursday , 21 April 2022
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈদে ফেরি বৃদ্ধিসহ শিমুলিয়া-পাটুরিয়ায় কঠোর নজরদারির দাবি

Link Copied!

ঈদে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে নিরবিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে মুন্সিগঞ্জের শিমুলিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাটের শৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।
একই সঙ্গে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাঝিরঘাট নৌপথে ফেরিসংখ্যা বৃদ্ধি, সার্বক্ষণিক ফেরি চলাচল অব্যাহত রাখা ও অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়াতে এ দুটি নৌপথসহ পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে লঞ্চ চলাচলের ওপর কঠোর নজরদারির আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
বৃহস্পতিবার (২১ এপ্রিল) সংগঠনের সভাপতি হাজী মোহাম্মদ শহীদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক আশীষ কুমার দে এক বিবৃতিতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতি এই আহ্বান জানিয়েছেন।
জাতীয় কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, রাজধানী ঢাকাসহ পার্শ্ববতী জেলাগুলোর সঙ্গে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ২১ জেলা সড়ক যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম পদ্মার শিমুলিয়া-বাংলাবাজার, শিমুলিয়া-মাঝিরঘাট ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথ। ঈদে স্বজনদের সান্নিধ্যপ্রত্যাশী এসব জেলার অগণিত যাত্রী বাসসহ বিভিন্ন ধরনের সড়কযানে গন্তব্যে যেতে শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া ফেরিঘাট ব্যবহার করে।
সংগঠনটির সাম্প্রতিক পর্যবেক্ষণের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, বিগত বছরগুলোতে এসব নৌপথে ফেরির সংখ্যা বেশি থাকলেও এবারের চিত্র ভিন্ন। নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর নিরাপত্তার স্বার্থে ফেরি চলাচল সীমিত ও সময় নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার। বর্তমানে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌপথে পাঁচটি ও শিমুলিয়া-মাঝিরঘাট নৌপথে দু’টি ফেরি চলাচল করছে এবং রাতে এসব ফেরি বন্ধ থাকে। এতে যাত্রীবাহী গাড়ি পারাপারে মারাত্মক সংকট সৃষ্টি ও ঘরমুখি মানুষের অবর্ণনীয় দুর্ভোগের আশংকা দেখা দিয়েছে।
অপ্রত্যাশিত নৌদুর্ঘটনা এড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটির বিবৃতিতে বলা হয়, শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ও মাঝিরঘাট- এ দুটি নৌপথে ৮৬টি ও পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ৩৪টি লঞ্চ চলাচল করে। এসব লঞ্চ আয়তনে খুব ছোট ও অধিকাংশগুলোই বহু বছর আগে নির্মিত। এগুলোর যথাযথ ফিটনেস (উপযুক্ততা) নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
তা সত্ত্বেও ঢাকাসহ আশপাশের এলাকা থেকে দূরপাল্লার বিভিন্ন সড়কের বাসযাত্রীরা বাধ্য হয়ে এই লঞ্চগুলোতে পদ্মা পাড়ি দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যান। বিগত বছরগুলোর ঈদযাত্রার উদাহরণ টেনে বিবৃতিতে বলা হয়, ঘরমুখি জনস্রোত বেড়ে গেলে এসব পুরোনো ও ছোট লঞ্চেই ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন করা হয়; এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি অনেক বেড়ে যায়।
এতে আরও বলা হয়েছে, পদ্মার তিনটি নৌপথেই উল্লেখযোগ্য সংখ্যক স্পিডবোট চলাচল করে ও দ্রুতগতির এসব ক্ষুদ্র নৌযানে সবসময়েই ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী বহন করা হয়। ঈদে যাত্রীসংখ্যা আরো বেড়ে যাবে। এছাড়া প্রতি ঈদের আগে নানা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার কারণে শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া ফেরিঘাটে চরম বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।
উদ্ভুত পরিস্থিতিতে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে নিরবিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ ও জনভোগান্তি লাঘবের স্বার্থে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাঝিরঘাট নৌপথে ফেরির সংখ্যা বাড়ানো অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। সেই সঙ্গে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এ দুটি নৌপথসহ পদ্মার তিনটি নৌপথে লঞ্চ ও স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী বহন রোধ, শিমুলিয়া ও পাটুরিয়া ফেরিঘাটের শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে জরুরি কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে নৌ, সড়ক ও রেলপথ রক্ষা জাতীয় কমিটি।