ঢাকাWednesday , 13 April 2022
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রায়ে আমরা সন্তুষ্ট, দ্রুত বাস্তবায়ন চাই: মৌলি আজাদ

Link Copied!

লেখক, কবি, ঔপন্যাসিক অধ্যাপক ড. হুমায়ুন আজাদ হত্যার সঙ্গে জড়িতদের ফাঁসির রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তারা এখন রায়ের দ্রুত বাস্তবায়ন চান।
এর আগে বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে হুমায়ুন আজাদ হত্যাকাণ্ডের রায় দেন আদালত। রায়ের পর প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হুমায়ুন আজাদের মেয়ে মৌলি আজাদ এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
তিনি বলেন, বাবার হত্যার রায় নিয়ে পরিবারের সবার মধ্যে একটা দ্বিধা ছিল যে আসলে বিচার হবে কিনা। তবে আমার বিশ্বাস ছিল হবে। এটার বিচারও হবে। অবশেষে দেরিতে হলেও রায় হয়েছে। রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। কিন্তু এখন আমাদের দাবি রায় দ্রুত বাস্তবায়ন করা। পলাতকদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনা। তাহলে আমি প্রকৃতপক্ষে সন্তুষ্ট হবো।
মৌলি আজাদ বলেন, রায় যদি আগে বাস্তবায়ন হতো তাহলে পরবর্তীতে বিভিন্ন লেখক, মুক্তচিন্তার মানুষকে হত্যার শিকার হতে হতো না। এখন যদি দ্রুত রায় বাস্তবায়ন হয় তাহলে সামনের দিনগুলোতে লেখকদের ওপর হামলার ঘটনা বন্ধ হয়ে আসবে।
২০০৪ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে বইমেলা থেকে বাসায় ফেরার পথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সামনে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন হুমায়ুন আজাদ। তাকে চাপাতি ও কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। ঘটনার পরদিন তার ভাই মঞ্জুর কবির রাজধানীর রমনা থানায় একটি হত্যাচেষ্টার মামলা করেন।
ওই হামলার পর ২২ দিন রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) এবং ৪৮ দিন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন ছিলেন হুমায়ুন আজাদ। পরে জার্মানির মিউনিখে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১২ আগস্ট মারা যান তিনি। তার মৃত্যুর পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তর হয়।
মামলার আসামিরা হলেন- জেএমবির শুরা সদস্য মিজানুর রহমান ওরফে মিনহাজ ওরফে শফিক, আনোয়ার আলম ওরফে ভাগিনা শহিদ, সালেহীন ওরফে সালাহউদ্দিন, হাফিজ মাহমুদ ও নূর মোহাম্মদ ওরফে সাবু। আসামিদের মধ্যে মিনহাজ ও আনোয়ার কারাগারে। সালাহউদ্দিন ও নূর মোহাম্মদ পলাতক। এছাড়া হাফিজ মারা গেছেন।
আসামিদের মধ্যে মিজানুর রহমান, আনোয়ার আলম, সালেহীন ও নূর মোহাম্মদকে মৃত্যুদণ্ড দেন ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আল-মামুন।