ঢাকাSunday , 27 March 2022
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শিল্প মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি শতকরা ৬৮ শতাংশ

Link Copied!

শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থাসমূহের ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে (এডিপি) বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৬৮ শতাংশ বলে জানানো হয়েছে। এই অগ্রগতি জাতীয় পর্যায়ে বাস্তবায়ন অগ্রগতির তুলনায় বেশি।
রোববার (২৭ মার্চ) শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এসব তথ্য জানানো হয়।
শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল এ সভায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও শিল্প মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন সংস্থা ও করপোরেশনের প্রধান এবং বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, ২০২১-২০২২ অর্থবছরে শিল্প মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে মোট ৩৪টি প্রকল্প রয়েছে। এর মধ্যে ৩১টি বিনিয়োগ প্রকল্প, দুটি কারিগরি সহায়তা এবং একটি নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন। সবমিলিয়ে এসব প্রকল্পে বরাদ্দের পরিমাণ চার হাজার ২৫১ কোটি টাকা। এর মধ্যে জিওবিখাতে এক হাজার ৫২২ কোটি, প্রকল্প সাহায্যখাতে দুই হাজার ৭০৭ কোটি এবং সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নখাতে ২১ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রকল্পগুলোর বিপরীতে মোট দুই হাজার ৯১৪ কোটি ১০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।
এসময় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) অনুকূলে সার সংরক্ষণ ও বিতরণ সুবিধার জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় বাফার গোডাউন নির্মাণ প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি ধীর গতিতে চলছে। কৃষকের দোরগোড়ায় সার সরবরাহ পৌঁছে দিতে দ্রুত প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে। আমদানিকৃত সার সঠিক সময়ের গুদামজাত ও বিতরণ হচ্ছে কি না তার হিসাব রাখতে হবে।
বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর একটি অগ্রাধিকার প্রকল্প। বিসিকের অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিরসন করে বিসিক শিল্পনগরীকে এগিয়ে নিতে সবাইকে আন্তরিক হতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী আর বলেন, আজ আমরা মধ্যমআয়ের দেশে উন্নীত হয়েছি। উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে যেতে হলে নতুন নতুন শিল্পায়ন গড়ে তুলতে হবে। যেসব প্রকল্প এলাকায় প্রকল্প পরিচালকরা থাকেন না, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদেরও প্রকল্প কাজ তদারকি করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী যে নির্দেশনা দিয়েছেন সে আলোকে আমরা যার যার অবস্থান থেকে শিল্প মন্ত্রণালয়কে এগিয়ে নিয়ে যাবো।
প্রকল্প কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য সবার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও দেশপ্রেমের সঙ্গে প্রতিপালনের আহ্বানও জানান তিনি।
সভায় শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ কোনোক্রমেই বাড়ানো যাবে না। যথাসময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করতে হবে এবং কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা যথাযথভাবে পালন করত হবে।