আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তাইওয়ানের পাইলটদের এখন থেকে উড্ডয়নকালীন সংকট নিরসনে বিশেষ পরীক্ষায় উৎরে যেতে হবে। সম্প্রতি ট্রান্সএশিয়া এয়ারওয়েজের বিমান এটিআর ৭২-৬০০এস দুর্ঘটনা কবলিত হয়ে ৪০ জনের মৃত্যুর পর এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বিমানের ফ্লাইট রেকর্ডারের তথ্য থেকে জানা যায়, বিমানটি রাজধানী তাইপের সংসান বিমানবন্দর ছাড়ার অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই একটি ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যায়। আরও একটি চলতে থাকে।
সঙ্কট মোকাবেলায় যথেষ্ট পারদর্শীতা না থাকায় পাইলট তখন চালু ইঞ্জিনটিও বন্ধ করে দেন। এবং পুরো প্রক্রিয়াটিকে পুনরায় চালুর চেষ্টা করেন। ততক্ষণে বিমানটি নদীতে পতিত হয় এবং ৪০ জন যাত্রীর মৃত্যু ঘটায়। বিষয়টিকে ঘিরে রয়েছে রহস্যের বাতাবরণ। সাধারণত একটি ইঞ্জিন নিয়েও যাত্রী বা মালবাহী বিমান বহুবার আকাশে উড়েছে। এ ক্ষেত্রে চালু ইঞ্জিনটিও কেন চালক বন্ধ করে দিলেন, কোনো তদন্তে সে ব্যাপারে এখনও মুখ খোলেনি। এ সংক্রান্ত তথ্য ফ্লাইট রেকর্ডারে থাকার কথা। সে তথ্যও কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করেনি।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি ট্রান্সএশিয়ার আকস্মিক দুর্ঘটনাকবলিত বিমানটি তাইওয়ানে কিলুং নদীতে পতিত হয়। ট্রান্সএশিয়ার কোনো বিমানের এটি দ্বিতীয় দুর্ঘটনা।

