আন্তর্জাতিক ডেস্ক : হাঙ্গেরির রাজপথে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নেমেছে সহস্রাধিক মানুষ। সম্প্রতি দেশটির সরকার রাশিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্টতা বাড়াতে তৎপর হলে সাধারণের কাছে তা সমালোচিত হয়। হাঙ্গেরির প্রধানমন্ত্রী ভিক্তর ওরবান সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে এক পরমাণু ও ঋণগ্রহণ চুক্তিতে একমত হন। এরপরই রাজপথে বিক্ষোভের সূচনা ঘটে।
হাঙ্গেরির মানুষ একীভূত হয়ে থাকার প্রসঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নকে বেশি গুরুত্ব দেয়, রাশিয়াকে নয়। সে জায়গা থেকে ভিক্তর ওরবান যখন রাশিয়ার সহায়তা নিয়ে পরমাণু সমৃদ্ধ করতে চান এবং সে সুবাদে আরও প্রায় ৮৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ নিতে চান দেশটির কাছ থেকে তখন তা মানুষের বিরোধীতার কারণ তৈরি করছে। এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। হাঙ্গেরির জনগণ দেশটির প্রধানমন্ত্রীর রুশপন্থী অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে রাজপথে স্লোগান দিচ্ছেন ‘দখিনা হাওয়া হাসছে, ওরবানও বিদায় নিচ্ছে।’
হাঙ্গেরির জনগণ সে দেশে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মের্কেল আসার পূর্বমুহূর্তে এ আন্দোলন করলো। এটা নিঃসন্দেহে হাঙ্গেরি ও জার্মানি আশু আলোচনার টেবিলে নতুন ইস্যুর অবতারণা ঘটাবে। প্রসঙ্গক্রমে বলে রাখা যেতে পারে, আলজাজিরার বিশ্লেষণ অনুযায়ী চলতি বছরে ওরবানের রাজনৈতিক দল ফিদেজ পার্টির জনপ্রিয়তা ক্রমশ হ্রাস পাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মত, হাঙ্গেরির এই গণবিক্ষোভের সঙ্গে ইউক্রেনে ভিক্তর ইয়ানুকোভিচের পতনান্দোলনের যথেষ্ট সামঞ্জস্য রয়েছে। সেখানে রাশিয়ার সঙ্গে নয় বরং ইইউ’র সঙ্গে মৈত্রী হোক- এমনই আওয়াজ উঠেছিল কিয়েভে।

