ঢাকাMonday , 2 February 2015
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

লাভে থাকলেও গ্যাসের সঞ্চালন মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব

Link Copied!

GASনিজস্ব প্রতিবেদক : বিদ্যুতের পর এবার প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়ানোর ওপর গণশুনানি চলছে। লাভজনক শর্তেও দেশে সঞ্চালন মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেডের (জিটিসিএল)। কোম্পানিটি প্রতি ঘনমিটার গ্যাসের জন্য সঞ্চালন মূল্য ৩২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪৭ পয়সা করার প্রস্তাব করেছে।
সোমবার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে তারা এ প্রস্তাব করে। কারওয়ান বাজারের বিইআরসি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে কমিশন চেয়ারম্যান এআর খান, সদস্য ড. সেলিম মাহমুদ, প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন, রহমান মুর্শেদ, মো. মাকসুদুল হক প্রমুখ উপস্থিত রয়েছেন। এছাড়া ভোক্তাদের প্রতিনিধি হিসেবে ক্যাবের জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক সামশুল আলম, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নুরুল ইসলাম, গণসংহতির জোনায়েদ সাকি উপস্থিত রয়েছেন।
৭ বিতরণ ও সঞ্চালন কোম্পানির প্রস্তাবের ওপর সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এ শুনানি চলবে। গ্যাস খাতে এবারই প্রথম কোম্পানিভেদে পৃথক গণশুনানি হচ্ছে। আগে কোম্পানিগুলোর হয়ে পেট্রোবাংলা দাম বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কাছে আবেদন করতো।
এদিকে ৩ ফেব্রুয়ারি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির লিমিটেড ও পশ্চিমাঞ্চল কোম্পানি লিমিটেডের প্রস্তাবের ওপর শুনানি হবে। ৪ ফেব্রুয়ারি বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির শুনানি, ৫ ফেব্রুয়ারি হবে জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম লিমিটেড ও সুন্দরবন গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির প্রস্তাবের ওপর গণশুনানি।
সব বিতরণ কোম্পানি একই হারে মূল্য বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি বাড়ার প্রস্তাব এসেছে আবাসিক খাতে। আবাসিক খাতে দুই চুলার জন্য গ্যাসের মূল্য ১২২ শতাংশ বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে; বর্তমানে যার দাম মাত্র ৪৫০ টাকা।
এক বার্নারের চুলার মাসিক বিল চারশ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮৫০ টাকার প্রস্তাব করা হয়েছে। আবাসিক গ্রাহকদের মধ্যে যারা মিটার ব্যবহার করেন, তাদের ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার ঘনফুট গ্যাসের দাম বর্তমানে ১৪৬ টাকা ২৫ পয়সা। কোম্পানিগুলোর প্রস্তাবে এটা ২৩৫ টাকা করার কথা বলা হয়েছে।
এছাড়া ক্যাপটিভ পাওয়ারে প্রতি হাজার ঘনফুট ১১৮ টাকা ২৬ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২৪০ টাকা, সার উৎপাদনে ৯ দশমিক ৭১ শতাংশ, শিল্পে ৩২ দশমিক ৬ শতাংশ, সিএনজিতে ৩৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে কোম্পানিগুলো।
সর্বশেষ ২০০৯ সালের আগস্টে সব ধরনের গ্যাসের দাম ১১ দশমিক ২২ শতাংশ বাড়ানো হয়। এছাড়া ২০১১ সালে দুই দফা সিএনজির দাম বাড়িয়ে প্রতি ঘনমিটার ৩০ টাকা করা হয়।