ঢাকাTuesday , 8 December 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমায় ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, বিক্রেতা উধাও

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : মঙ্গলবার শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর আধাঘণ্টার মধ্যে শেয়ার দাম সর্বোচ্চ বেড়ে হল্টেড হয়েছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং। দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলেও যাদের কাছে কোম্পানিটির শেয়ার আছে তাদের কেউ বিক্রি করতে রাজি হচ্ছেন না। ফলে কোম্পানিটির শেয়ারের বিক্রেতা উধাও হয়ে গেছে।
প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করা ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার গত ২ ডিসেম্বর থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে।
এক এক করে কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন পাঁচ কার্যদিবসের গড়িয়েছে। এই পাঁচ কার্যদিবসের পাঁচ দিনই শেয়ারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করেছে।
মঙ্গলবার লেনদেনের শুরুতে ২৮ টাকা ১০ পয়সা করে কোম্পানিটির ১০ হাজার শেয়ারের কেনার প্রস্তাব আসে। তবে কেউ এ দামে বিক্রি করতে রাজি হননি। এরপর কয়েক দফা দাম বেড়ে সর্বশেষ ২৯ টাকা ৮০ পয়সা করে ১ কোটি ৭৬ লাখ ১৬ হাজার ৮১১টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব আসে।
এতেই দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে। তবে এরপরও কোনো বিনিয়োগকারী তাদের কাছে থাকা কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি। ফলে ক্রেতা থাকলেও শেয়ারের বিক্রেতা শূন্য হয়ে পড়েছে।
পর পর পাঁচ কার্যদিবস দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে হল্টেড হওয়ায় আইপিওতে ১০ টাকা করে বিক্রি হওয়া ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার দাম ১৯ টাকা ৮০ পয়সা বা ১৯৮ শতাংশ।
চলতি বছরের ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটিকে আইপিওর মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়।
নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিয়ে আইপিওতে অভিহিত মূল্যে বা ১০ টাকা করে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং। এ টাকায় ভবন নির্মাণ, ইলেট্রিক্যাল ইনস্ট্রলেশন, প্লান্ট অ্যান্ড মেশিনারিজ ক্রয় ও আইপিও খরচ করবে কোম্পানিটি।
গত ২ ডিসেম্বর শেয়ারবাজারে লেনদেনে শুরুর আগেই কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানায়।
অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা লভ্যাংশ হিসেবে ১০০টি শেয়ারের বিপরীতে নগদ ২০ টাকা এবং ৮টি সাধারণ শেয়ার পাবেন।
লভ্যাংশের বিষয়ে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের নেয়া সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর। আর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর।
সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) করেছে ১ টাকা ৪২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ২৩ পয়সা।
কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে অনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট।