ঢাকাSunday , 22 November 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ : সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : তুরস্কের সঙ্গে সৌদি আরবের ভালো এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে বলে শনিবার দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ। রয়টার্সে এক বিবৃতির বরাতে এ খবর প্রকাশিত হয়েছে।
মুসলিম বিশ্বের দুই প্রধান শক্তির রাজনৈতিক রেষারেষির ধাক্কা এখন বাণিজ্য সম্পর্কের ওপরও লেগেছে এবং এরদোয়ান সরকারকে শায়েস্তা করতে সৌদি আরব তুর্কি বাজার বন্ধের কৌশল নিয়েছে বলেও শোনা যাচ্ছে।
মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এমন জল্পনা ও বাজার বয়কটের বিষয়টি উড়িয়ে দিয়ে সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অনানুষ্ঠানিকভাবে সৌদি সরকার তুরস্কের পণ্য বয়কটের কোনো প্রচারণা চালাচ্ছে না।
আনাদোলু লিখেছে, শনিবার রিয়াদে শুরু হওয়া দুই দিনব্যাপী জি-২০ সম্মেলনের উদ্বোধনী দিনে তুরস্কের যোগ দেয়ার পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী তুর্কি পণ্য বয়কট ও দেশটির সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এমন মন্তব্য করলেন।
গত অক্টোবর থেকেই সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্টরা তুরস্কের পণ্য বর্জনের দাবি জানিয়ে আসছে। তবে এটা যদি হয়ও তাতে তুরস্কের চেয়ে সৌদি আরবের ক্ষতি হবে বেশি।
ব্রিটিশ দৈনিক ফাইনানসিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে যে, প্রকাশ্যে ‘তুর্কি বয়কট’ ক্যাম্পেইনের নেতৃত্ব দিচ্ছে সৌদি আরবের শীর্ষ এবং সবচেয়ে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সমিতি রিয়াদ চেম্বার অব কমার্স।
সৌদি কর্তৃপক্ষ তুর্কি পণ্য বর্জনের বিষয়টি অস্বীকার করলেও সাংবাদিক, পর্যবেক্ষক এবং তুর্কি ব্যবসায়ী মহলের দাবি, তুর্কি পণ্য বয়কটের যে ক্যাম্পেইন সৌদিতে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে তার নেপথ্যে রয়েছে দেশটির সরকার।
সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান কাতার অবরোধ শেষ করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, প্রতিবেশী কাতারের সঙ্গে তিন বছর ধরে যে বিরোধ চলছে তা সমাধানের পথ খুঁজছে রিয়াদ।
সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন ও ইরানের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার অভিযোগে ২০১৭ সালে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে স্থল, জল এবং আকাশপথেও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে সৌদি আরব, বাহরাইন, মিসর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।