ঢাকাSaturday , 14 November 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সরকার বদলালেও অবস্থান বদলাবেন না ডা. ফউসি

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আর কিছুদিনের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রে ক্ষমতার পালাবদল হতে চলেছে। তবে এ নিয়ে মোটেও মাথা ঘামাচ্ছেন না দেশটির শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফউসি। নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের করোনা মোকাবিলা টিমের সঙ্গে এখনও যোগাযোগ হয়নি, কিন্তু এটি তার মহামারি মোকাবিলা কার্যক্রমে কোনও প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছেন ডা. ফউসি।
সম্প্রতি বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসের (এনআইএআইডি) প্রধান বলেন, আমি আমার পথে থাকি। আমি তো আর রাজনীবিদ নই। আমি মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করি।
তিনি বলেন, আমার এমন কোনও কাজ বন্ধ করার কোনও কারণ বা চিন্তা নেই, যা আমাদের মহামারি থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করছে।
মহামারি শুরুর পর গত জানুয়ারি থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের করোনা টাস্কফোর্সের হয়ে কাজ করছেন ডা. ফউসি। তিনি মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো স্বাস্থ্যসুরক্ষার নির্দেশনাগুলো মেনে চলার বিষয়ে গুরুত্ব দিলেও ট্রাম্প বরাবরই সেগুলো উপেক্ষা করেছেন। এ নিয়ে বহুবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে মতবিরোধ দেখা গেছে ডা. ফউসির।
এ বিষয়ে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্টের জন্যেও এনআইএআইডি প্রধানের পরামর্শ একই। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষার নিয়ম এক মাস থেকে আরেক মাসে বা এক প্রশাসন থেকে আরেক প্রশাসনে গেলে পরিবর্তন হয়ে যায় না।
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ এ স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এপর্যন্ত ছয়টি প্রশাসন বা সরকারের সঙ্গে কাজ করেছেন। আশির দশকে এইডস মহামারি মোকাবিলায় শক্ত পদক্ষেপের মাধ্যমে আলোচনায় উঠে আসেন তিনি।
এনআইএআইডির প্রধান হিসেবে ডা. ফউসের প্রধান কাজ সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা পদ্ধতি উদ্ভাবন, যা তিনি বেশ ভালোভাবেই করছেন। যদিও ট্রাম্পকে মহামারির কথা বোঝাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছে তার। তবে বাইডেন প্রশাসনে সেই অবস্থার উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিশ্বের মধ্যে করোনায় সবচেয়ে বেশি ভুগছে যুক্তরাষ্ট্র। জনস হপকিন্স ইউনিভার্সিটির তথ্যমতে, দেশটিতে এপর্যন্ত ১ কোটি ৭ লাখের বেশি মানুষ প্রাণঘাতী এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন প্রায় আড়াই লাখ। নির্বাচনী আবহের মধ্যে সেখানে আবারও বাড়তে শুরু করেছে এর সংক্রমণ।