ঢাকাSaturday , 8 August 2020
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

করোনার মধ্যেও পাট রপ্তানিতে সাড়ে ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

Link Copied!

অর্থনীতি ডেস্ক : নতুন অর্থবছরের (২০২০-২১) প্রথম মাস জুলাইয়ে পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫ দশমিক ৪৪ শতাংশ বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ। করোনা মহামারির মধ্যেও এ এক বিশাল অর্জন। বিশ্লেষকদের মতে, সুষ্ঠু পরিচালনার মাধ্যমে এ খাতকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া সময়ের দাবি। এই খাত থেকে এক মাসে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ডলার আয় হয়েছে, যা গত অর্থবছরের জুলাই মাসের চেয়ে ৩৮ দশমিক ২৩ শতাংশ বেশি।
মহামারির পর থেকে পাটপণ্য রপ্তানি বেড়ে যাওয়ার মধ্যে গত জুলাই মাসে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ২৬টি পাটকলে উৎপাদন বন্ধ করে ২৪ হাজার ৮৮৬ জন স্থায়ী শ্রমিককে অবসরে পাঠায়। বিজেএমসির আওতাধীন এই পাটকলগুলোতে উৎপাদিত চট, বস্তা, থলে বিদেশে রপ্তানি হত। রপ্তানি বাড়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলোর অভাব অনুভব করছেন এই খাত সংশ্লিষ্টরা।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) সবশেষ যে হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৩৯১ কোটি (৩.৯১ বিলিয়ন) ডলার আয় করেছে দেশ। এর মধ্যে ১০ কোটি ৩৫ লাখ ১০ হাজার ডলার এসেছে পাট ও পাট পণ্য রপ্তানি থেকে।
সার্বিক হিসেবে পাট রপ্তানি থেকে আয় ৩ শতাংশের নিচে হলেও আগের বছরগুলোর তুলনায় এই অঙ্কে আশা দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
গত মাসে পাটসুতা (জুট ইয়ার্ন) রপ্তানি হয়েছে ৭ কোটি ৩০ লাখ ডলারের; প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪৬ শতাংশ। কাঁচাপাট রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ৩ লাখ ৭০ হাজার ডলার; আয় বেড়েছে ৫৮ দশমিক ৫৬ শতাংশ। পাটের তৈরি বস্তা, চট ও থলে রপ্তানি হয়েছে ১ কোটি ২২ লাখ ডলারের। আয় বেড়েছে ৪৬ দশমিক ১৬ শতাংশ। এছাড়া পাটের তৈরি অন্যান্য পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৮০ লাখ ডলারের।
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ মোট ৮৮ কোটি ২৩ লাখ ৫০ হাজার ডলার আয় করেছে। ওই অঙ্ক ছিল আগের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের চেয়ে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ বেশি। লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আয় বেশি এসেছিল ৭ শতাংশ।
গত অর্থবছরে পাটসুতা রপ্তানি থেকে ৫৬ কোটি ৪৬ লাখ ডলার আয় হয়েছিল। অর্থাৎ মোট রপ্তানি ৬৪ শতাংশই এসেছিল পাটসুতা রপ্তানি থেকে। কাঁচাপাট রপ্তানি থেকে আয় হয়েছিল ১৩ কোটি ডলার। পাটের তৈরি বস্তা, চট ও থলে রপ্তানি হয়েছিল ১০ কোটি ৬৫ লাখ ডলারের। এছাড়া পাটের তৈরি বিভিন্ন ধরনের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল ১৯ কোটি ডলারের। এর মধ্য দিয়ে সাম্প্রতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যে চামড়াকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসে পাট খাত।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বিশ্বব্যাপী পাট পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। এখন শুধু বস্তা, চট ও থলে নয়, পাটসুতাসহ পাটের তৈরি নানা ধরনের পণ্য বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হচ্ছে। সুষ্ঠু তদারকির মাধ্যমে আটকাতে আবারো সুদিন ফিরিয়ে আনা সম্ভব।