আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেছেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বিচ্ছেদের নির্ধারিত তারিখ ৩১ অক্টোবর পেছানোর চেয়ে তিনি ‘নর্দমায় মারা যাওয়াকে’ পছন্দ করবেন। বুধবার ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ারে ব্রেক্সিট বিলম্বের ব্যাপারে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট সম্ভাবনাকে বাতিল করে দিয়ে বুধবার একটি বিল গ্রহণ করেছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ হাউজ অব লর্ডস। শুক্রবার এটি পাশ হওয়ার কথা। লেবার পার্টির এমপি হিলারি বেনের প্রস্তাবিত বিলটিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টে একটি চুক্তি পাশ করাতে কিংবা চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটে এমপিদের অনুমোদন পেতে ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত সময় পাবেন। নির্ধারিত সময় অতিক্রম করলে প্রধানমন্ত্রীকে ব্রেক্সিটের সময়সীমা ২০২০ সালের ৩১শে জানুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অনুরোধ জানাতে হবে। এই অনুরোধ জানাতে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ইউরোপীয় ইউনিয়নে যে চিঠি পাঠাবেন তার ভাষা কী হবে তাও নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে এই বিলে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ব্রেক্সিট পেছানোর অনুরোধ জানাতে ব্রাসেলসে না যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে জনসন বলেন, ‘আমি এর চেয়ে নর্দমায় পড়ে মারা যাব।’
তবে পার্লামেন্ট যদি তাকে অন্য কোনো সুযোগ না দেয় তাহলে পদত্যাগ করবেন কি না জানতে চাইলে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট জবাব দেন নি জনসন।
তিনি বলেন, ‘আমি জানি না…ইইউর খরচ জোগাতে এক মাসে আমার শত কোটি পাউন্ড প্রয়োজন, এটা সত্যিকারার্থে কিছুই অর্জন করবে না। তাহলে আর বিলম্বের কারণ কী?’
এদিকে বৃহস্পতিবারই ব্রেক্সিট প্রশ্নে জনসনের ছোট ভাই জো জনসন টোরি এমপি ও মন্ত্রী উভয় পদ থেকেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ভাইকে অসাধারণ ব্যক্তি উল্লেখ করে জনসন বলেন, ব্রেক্সিট তার ‘পরিবারকে বিভক্ত’ করেছে।

