ঢাকাSaturday , 24 August 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ঈদে দুর্ঘটনায় নিহত ১৮৫ জন

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : ১২ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ঈদুল আজহাকে উপলক্ষ করে সারাদেশে ১৩৫ টি দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত এবং ৩৫৫ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘নিরাপদ সড়ক চাই’ আন্দোলন এক সংবাদ সম্মেলনে হতাহতের এই পরিসংখ্যান জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব লিটন এরশাদ লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
তিনি বলেন, ‘ঈদুল আজহার ছুটিতে সারাদেশে মোট দুর্ঘটনা সংঘটিত হয়েছে ১৩৫ টি। এসব দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত এবং ৩৫৫ জন আহত হয়েছে। এরমধ্যে সড়ক পথে ১৩০ টি, রেলপথে ২ টি এবং নৌপথে ৩ টি দুর্ঘটনা ঘটে। ১০ আগস্ট থেকে ১৮ আগস্ট এই ৯ দিনে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশের যানবাহনের দুর্ঘটনায় এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিভিন্ন পত্রিকা, অনলাইন নিউজ পোর্টাল, সংবাদসংস্থা ও টেলিভিশন চ্যানেলের তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি করে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।’
এই ঈদে উত্তরবঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এ বছর ঈদুল আজহার সময় সারাদেশে সড়ক পথে গাড়ি চলাচল নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই ঈদে উত্তরবঙ্গে সড়কে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে তিনটি সেতু খুলে দেয়ার ফলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের সঙ্গে বিভিন্ন জেলায় যানজট হয়নি বললেই চলে এবং সড়ক দুর্ঘটনা এ সকল অঞ্চলে তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।’
কিন্তু খুলনা ও যশোর অঞ্চলে সড়ক দুর্ঘটনা কমেনি বরং বেড়েছে। দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চালানো ও ওভারটেকিং করার প্রবণতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন ও পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী বহন, পণ্যবাহী যানবাহন বন্ধের নিষেধাজ্ঞা অমান্য, অদক্ষ চালক ও হেলপার দ্বারা যানবাহন চালানো, বিরামহীন ও বিশ্রামহীনভাবে যানবাহন চালানো, যানবাহনের শিডিউল বিপর্যয়, অতিরিক্ত যাত্রী বহনের প্রবণতা, মহাসড়কে অটোরিকশা, ব্যাটারি চালিত রিকশা, নসিমন-করিমন ও স্থানীয়ভাবে মোটরসাইকেলের অবাধ চলাচল।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার অধিকাংশ ঘটেছে দ্রুতগতি, ট্রাফিক আইন না মানা আর একের অধিক যাত্রী নেয়ার কারণে।
সড়ক দুর্ঘটনা রোধে নিসচার প্রস্তাবনায় তিনি বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা রোধে মনিটরিং শুধু ঈদের আগে করলেই হবে না, ঈদ পরবর্তী সময় মনিটরিং করতে হবে। চালক হেলপারসহ পরিবহন শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা ও বেতন নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত সড়ক দুর্ঘটনা বন্ধ করা যাবে না। কারণ তাদের মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা তৈরি করা হয়, চালক প্রশিক্ষণ, লাইসেন্স ইস্যু পদ্ধতি আধুনিকায়ন, যানবাহনের ফিটনেস প্রদান পদ্ধতি আধুনিকায়ন করতে হবে, জাতীয় সড়ক নিরাপত্তা কাউন্সিলকে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা ও চালক প্রশিক্ষণের জন্য সরকারি-বেসরকারিভাবে ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা, ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করার মতো নৈরাজ্য বন্ধ করা, ওভারলোড নিয়ন্ত্রণে মানসম্মত ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ব্যবস্থা করা, মহাসড়কের গতি নিরাপদ করে দ্রুতগতির যানের জন্য আলাদা আলাদা লেনের ব্যবস্থা করতে হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শামীম আলম দীপেন এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মিরাজুল মইন জয় উপস্থিত ছিলেন।