নিজস্ব প্রতিবেদক : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ব্যাপক কার্যক্রম চালাচ্ছে। ফলে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ডেঙ্গু আক্রান্ত নতুন রোগীর সংখ্যা মহান আল্লাহর ইচ্ছায় কমে আসবে।
শনিবার রাজধানীর নগর ভবনে ডিএসসিসি আওতাধীন করদাতাদের মধ্যে অ্যারোসল স্প্রে বিতরণ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে ডিএসসিসির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন একথা বলেন।
মেয়র বলেন, ‘ঈদের ছুটিতে কেউ বাড়ি গেলে এমন কোনো ব্যবস্থা যেন রেখে যান, যাতে করপোরেশনের লোকজন এডিস মশার লার্ভা নিধনে ওষুধ দিতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘গত ১ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ২৫ হাজার ৯৯৭টি বাড়ি পরিদর্শন করে ৮২৩ টির লার্ভা ধ্বংস এবং স্কাউটের মাধ্যমে ১ লক্ষ ১০ হাজার ৭৬৫টি ভবন পরিদর্শন শেষে ৬২ হাজার ২৩৭ টি বাড়ির লার্ভা ধ্বংসসহ নির্মাণাধীন ৯৫ জন ভবন মালিককে জরিমানা করা হয়েছে।
মেয়র সাঈদ বলেন, ‘ইতোমধ্যে নাগরিকরা এ বিষয়ে পূর্বের তুলনায় অনেক সচেতন হয়েছে, তাদের মধ্যে জাগরণ সৃষ্টি হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি সকল সংস্থা এ কাজে সম্পৃক্ত হয়েছে। নাগরিকদের জাগরণ এবং করপোরেশনের কার্যক্রম এ দুয়ের সম্মেলনে ডেঙ্গুতে নতুন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দ্রুততম সময়ের মধ্যে কমে আসবে ইনশাল্লাহ।’
ইতোমধ্যে ৭৩০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং ৭৬৫টি মসজিদে এ ক্যান বিতরণ করা হয়েছে।
করদাতাদের এরোসল স্প্রে ক্যান বিতরণকালে এডিম মশা যেন বংশ বিস্তার করতে না পারে, সে জন্য আঙিনাসহ নিজ নিজ বাড়ি-ঘরে এসি, ফ্রিজ, ফুলের টব এবং পরিত্যক্ত ক্যান ইত্যাদিতে যেন পানি জমে না থাকে সেদিকে সতর্ক থাকার আহবান জানান তিনি। একই সাথে এডিস মশা যেহেতু গৃহ অভ্যন্তরে পর্দা, আলমারী, সোফা এবং খাট ইত্যাদি অন্ধকার স্থানে লুকিয়ে থাকে, তাই এসব স্থানে স্প্রে করার জন্য করপোরেশনের পক্ষ থেকে দেয়া এসব ক্যান ব্যবহার করার পরামর্শ দেন।
এ সময় ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শরিফ আহমেদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর জাহিদ হোসেনসহ সম্মানিত করদাতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

