নিজস্ব প্রতিবেদক : মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে আমদানি করা পণ্য খালাসের মাধ্যমে সরকারের দুই কোটি টাকা শুল্ক ফাঁকি ও আত্মসাতের অভিযোগে চট্টগ্রামের কাস্টম হাউজের সাবেক সাত রাজস্ব কর্মকর্তাসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে ১৮টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-১ এ দুদকের সহকারী পরিচালক আফরোজা হক খান ও শেখ গোলাম মাওলা এবং উপ-সহকারী পরিচালক মো. সহিদুর রহমান বাদী হয়ে মামলাগুলো করেন। সংস্থাটির জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আসামিরা হলেন- চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউজের সাবেক সাত রাজস্ব কর্মকর্তা প্রাণবন্ধু বিকাশ পাল, শফিউল আলম, হুমায়ূন কবির, সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ সফিউল আলম, নিজামুল হক ও সৈয়দ হুমায়ুন আখতার। অপর আসামিদের মধ্যে ১৪ আমদানিকারক ও চারজন সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট রয়েছেন।
১৪ আমদানিকারক হলেন- আবুল হাসনাত, এম এ আলীম, মো. মমিনুল ইসলাম, মো. নুরুল আলম, মো. মুসা ভূইয়া, ফোরকান আহমেদ, জ্যেতির্ময় সাহা, ফাহাদ আবেদীন সোহান, মো. জহুরুল ইসলাম, মো. সাহিদুর রহমান, মো. আইনুল হক, মোহাম্মদ কাসিফ ফোরকান, মো. রুবেল আহমেদ ও মো. জহিরুল ইসলাম।
চার সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট আসামি হলেন- মোহাম্মদ হারুন শাহ, মইনুল আলম চৌধুরী, মির্জা মো. আহসানুজ্জামান ও মো. সাইফুল ইসলাম।
আসামিরা পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যবহার ও জালিয়াতির মাধ্যমে ২০১০ ও ২০১১ সালে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সরকারের দুই কোটি ৬৬ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৮ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে মামলায় অভিযোগ আনা হয়।

