ঢাকাTuesday , 6 August 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গণধর্ষণের অভিযোগের ঘটনায় তদন্ত কমিটি

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনার জিআরপি (রেলওয়ে) থানায় এক নারীকে (২১) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। থানার ওসি ওসমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ওই নারী নিজেই আদালতে এ অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার এক নারী কর্মকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি-মিডিয়া) সোহেল রানা জানান, ‘সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। তদন্তের পরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে, অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২ আগস্ট ঘটনার রাতে খুলনা রেলওয়ে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠান, এসআই গৌতম কুমার পাল, এসআই নাজমুল হাসান, কনস্টেবল মিজান, হারুন, মফিজ, আব্দুল কুদ্দুস, আলাউদ্দিন, কাজলসহ বেশ কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তবে, ওই নারী ওসি ওসমান গনি পাঠানসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ ও মারপিটের অভিযোগ করেছেন।
ওই নারীর দুলাভাই শাহাবুদ্দিন মাতুব্বর জানান, ২ আগস্ট শুক্রবার তার স্ত্রী’র ছোট বোন (শ্যালিকা) যশোর থেকে ট্রেনে খুলনায় আসেন। ট্রেন থেকে নামার পর রাত সাড়ে ৭ টার দিকে খুলনা রেলস্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি পুলিশের সদস্যরা তাকে সন্দেহজনকভাবে ধরে নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে জিআরপি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওসমান গনি পাঠান প্রথমে তাকে ধর্ষণ করে। এরপর আরও ৪ জন পুলিশ সদস্য পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন শনিবার তাকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয় বলে তার শ্যালিকা তাদের জানিয়েছেন।
তিনি আরও জানান, আদালতে বিচারকের সামনে নেয়ার পর তার শ্যালিকা জিআরপি থানায় তাকে গণধর্ষনের বিষয়টি আদালতের সামনে তুলে ধরেন। এরপর আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট তার ডাক্তারী পরীক্ষার নির্দেশ দেন।
এদিকে, ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওসি ওসমান গনি দেড় লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন বলে ধর্ষিতার পরিবার দাবি করেছে। কিন্তু সমঝোতায় রাজি না হওয়ায় ওসমান গনি তাদের হুমকি দিচ্ছেন বলে ওই নারীর বড় বোন হোসনে আরা বেগম অভিযোগ করেন।
ওসি ওসমান গনি ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ওই মহিলাকে ৫ বোতল ফেন্সিডিলসহ ২ আগস্ট আটক করা হয়। সেই মামলায় তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছিলো। কিন্তু আদালতে গিয়ে সে ধর্ষণের অভিযোগ করেছে। ফেন্সিডিলের মামলা থেকে রক্ষা পেতে সে এ ধরণের মিথ্যা অভিযোগ করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।