নিজস্ব প্রতিবেদক : আর কয়েক দিন বাকি ঈদুল আজহার। এরই মধ্যে উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকার হাটগুলো সাজতে শুরু করেছে। নেয়া হচ্ছে বাড়তি নিরাপত্তা। নিরাপত্তাকে আরও নিশ্চিত করতে প্রতিটি হাটকে সিসি ক্যামেরায় নিয়ন্ত্রণ করা হবে বলে পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘হাটগুলোতে তিন স্তরের নিরাপত্তার পাশাপাশি জাল নোট শনাক্তকরণ মেশিন থাকবে। জনদুর্ভোগ ও যানজটের কথা চিন্তা করে এবার নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে রাস্তায় হাট বসালে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এফডিসির অনুষ্ঠান শেষে তিনি গণমাধ্যমকে জানান, হাটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকা সিসি টিভির আওতায় থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, হাটে প্রবেশ পথ, ক্যাশ কাউন্টার ও আশপাশের এলাকা সিসি ক্যামেরা দিয়ে সবসময় মনিটরিং করা হবে। কাউকে সন্দেহ হলে তল্লাশি করা হবে।
উত্তর সিটি কর্পোরেশনে থাকছে পশুর হাট ৯টি এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে থাকছে ১৪টি। এরই মধ্যে বেশির ভাগ হাটের প্রায় ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে ইজারাদাররা জানিয়েছেন।
শনিবার সরেজমিন রাজধানীর বিভিন্ন হাট ঘুরে আরও দেখা গেছে, মাটি খুঁড়ে বসানো হচ্ছে খুঁটি। সামনের দিকে চলছে প্যান্ডেলের কাজ। পুলিশ কন্ট্রোলরুমে সিসি ক্যামেরার কাজ চলছে। নিরাপত্তার জন্যই এগুলো করা হচ্ছে। প্রতিটি হাটে ২০ থেকে ২৫টি ক্যামেরা থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।
ডিএসসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমোডর মো. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘পশু ক্রেতা-বিক্রেতাদের কোনোরকম হয়রানি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি যাতে না হয় সেদিকে নজর রাখা হবে। কোনোভাবেই নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে হাট বসানো যাবে না।’

