ঢাকাThursday , 25 July 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বান্ধবীকে সরকারি দপ্তরে আনছেন নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বুধবার ১০ নং ডাউনিংস্ট্রিটে তার সরকারি দপ্তরের বিখ্যাত কালো দরজাটি খুলে প্রবেশ করেছিলেন। তবে প্রায় অর্ধশতাব্দির মধ্যে জনসনই প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি স্ত্রী ছাড়া দপ্তরে প্রবেশ করলেন।
কনজারভেটিভ পার্টির প্রাক্তন যোগাযোগ বিষয়ক প্রধান ও বান্ধবী ক্যারি সিমন্ডসকে বুধবার কর্মকর্তাদের পাশে দাঁড় করিয়ে একাই প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে প্রবেশ করেন জনসন। নতুন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত রঙিন জীবনের এই চিত্রটিই বলে দিচ্ছে, তিনি ঐতিহ্য নয়, বরং বিতর্কিত আধুনিক ব্রিটিশ জীবনধারাতেই চলতে স্বাচ্ছ্যন্দবোধ করেন।
দশকের পর দশক ধরে দেখা গেছে, নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী যখন ১০ নং ডাউনিংস্ট্রিটে প্রবেশ করেন তখন তার পাশে থাকেন স্ত্রী। এমনকি অনেককে তাদের সন্তানদের পাশে রেখে সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নাড়তে নাড়তে প্রথম দিন দপ্তরে প্রবেশ করতে দেখা গেছে।
গত বছরের সেপ্টেম্বরে স্ত্রী ম্যারিনা হুইলারের কাছ থেকে পৃথক থাকার ঘোষণা দেন ৫৫ বছরের বরিস জনসন। ২৫ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার প্রক্রিয়া শুরুর কথাও জানান এই দম্পতি। তাদের এই বিবাহিত জীবন গড়পড়থায় ইংল্যান্ড ও ওয়ালসের বিবাহিত জীবনের দ্বিগুন সময়, যেখানে প্রতি বছর ১০০ বিয়ের মধ্যে ৬৪টিরই তালাক হয়ে যায়।
লন্ডনের রয়েল হলোওয়ে ইউনিভার্সিটির রাজনীতি বিভাগের শিক্ষক নিকোলাস অ্যালেন বলেন, ‘কৌশলগতভাবে আপনি যখন কারো সঙ্গে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ তখন অন্য কোনো নারীকে নিয়ে ডাউনিং স্ট্রিটে হেঁটে যাওয়াটা আপনার জন্য মুশকিল। বরিসের ব্যক্তিগত রঙিন জীবন ছবি তোলার সেই ঐতিহ্যকে ঝামেলাতেই ফেলেছে।’
অবশ্য বরিসের পাশে না দাঁড়ালেও ক্যামেরার পেছনে সিমন্ডের উপস্থিতি প্রমাণ করছে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। সরকারি বাসভবনে বান্ধবীকে নিয়ে উঠলে গত ১৭৩ বছরের মধ্যে ৩১ বছরের সিমন্ডই হবেন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গিনীদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ ।
গত মাসে বান্ধবী ক্যারি সিমন্ডসের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয় জনসনের। লন্ডনে সিমন্ডসের বাড়িতেই থাকতেন জনসন। সেই ঝগড়ার অডিও ধারণ করে গণমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন এক প্রতিবেশী। দলের নেতা নির্বাচনের প্রার্থীতার সময় জনসনের এই বান্ধবী-কাণ্ডটি উঠে এসেছিল আলোচনার কেন্দ্রে।