ঢাকাWednesday , 24 July 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রস্তুতি যৎসামান্য

Link Copied!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রস্তুতি একেবারেই সামান্য। অথচ দেশটি অব্যাহতভাবে বলে আসছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে তারা প্রস্তুত। উপগ্রহ থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে অস্ট্রেলিয়ার গবেষণা প্রতিষ্ঠান অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইনিস্টিটিউট (এএসপিআই) এ তথ্য জানিয়েছে।
২০১৭ সালে সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা প্রাণে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ জানিয়েছে, ‘গণহত্যার উদ্দেশ্য’ নিয়ে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ব্যাপক হারে হত্যা, গণধর্ষণ করেছে। সেনা অভিযানের সময় প্রায় ৪০০ রোহিঙ্গা গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার গত বছর রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। তবে প্রত্যাবাসন শুরু না করার জন্য তারা বারবার বাংলাদেশকে দোষারোপ করছে।
উপগ্রহ থেকে পাওয়া ছবি বিশ্লেষণ করে এএসপিআই জানিয়েছে, পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের বাড়িঘর পুনর্নির্মাণের কোনো চিহ্নই দেখা যায়নি। বরঞ্চ কিছু কিছু এলাকায় রোহিঙ্গাদের আবাসিক ভবন ভাঙ্গা অব্যাহত আছে।
মঙ্গলবার এএসপিআই এর ইন্টারন্যাশনাল সাইবার পলিসি সেন্টারের অন্যতম গবেষক নাথান রাসার এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘আমাদের অনুদৈর্ঘ্য উপগ্রহ বিশ্লেষণে স্পষ্টভাবে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে আবাসিক এলাকা ধ্বংস অব্যাহত রাখার চিত্র পাওয়া গেছে-যা নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসন বিষয়ে মিয়ানমার সরকারের ইচ্ছা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দাঁড় করিয়েছে।’
এ ব্যাপারে মন্তব্যের জন্য মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের পক্ষে যোগাযোগ করা হলে কোনো উত্তর পাওয়া যায়নি। রাখাইনের সাধারণ প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা কিউ সোয়ার তুন কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
এএসপিআই এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সাল থেকে রাখাইনকে ‘সুরক্ষিতকরণের’ ব্যবস্থা চলছে। এর অংশ হিসেবে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের এলাকাগুলোতে ছয়টি স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে, যেগুলোকে সামরিক ঘাঁটি হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে।
২০১৮ সালে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক অনুসন্ধানে জানা যায়, রোহিঙ্গাদের এলাকাগুলোতে বৌদ্ধদের জন্য বাড়িঘর নির্মাণ করছে সরকার।
জুলাইয়ের প্রথম দিকে উত্তর রাখাইনে ২৫০টি বাড়ি হস্তান্তর করে ভারত। তবে এগুলো রোহিঙ্গাদের জন্য ছিল না। সহিংসতার সময় বাস্তুচ্যুত হিন্দুদের জন্য এসব বাড়ি নির্মাণ করা হয়।
রাখাইনের মংড়ুর রোহিঙ্গা জুয়াইয়ারমান বলেন, ‘হিন্দু ও রাখাইনের লোকজন তাদের বাড়িঘর হারিয়েছে এবং আমরাও আমাদেরগুলো হারিয়েছি। আমরা রোহিঙ্গারা আশা করি, তাদের মতো যদি আমাদেরও বাড়ি হতো।’