ঢাকাSaturday , 6 July 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নদী দখলকারীদের রাষ্ট্রমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : নদীর তীর দখলকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।
তিনি বলেছেন, বুড়িগঙ্গাসহ দেশের সব নদী দখলমুক্ত করা হচ্ছে। নদীর তীর দখল করবেন না। দখল করার চেষ্টা করলে ভুল করবেন। দখলদার যে-ই হোক, কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
শনিবার ঢাকার কামরাঙ্গীরচরের খোলামোড়া ঘাটে সীমানা পিলার, ওয়াকওয়ে, নদী তীর রক্ষায় কিওয়াল ওয়াকওয়ে অন পাইল নির্মাণ কাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গাকে পুরনো রূপে ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন। তার সে নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশে চক্রাকার নৌপথ চালু করে যাত্রী ও মালামাল পরিবহন সহজতর করা হবে। বুড়িগঙ্গাকে হাতিরঝিলের ন্যায় নয়নাভিরাম করা হবে। বছরখানেকের মধ্যে এ দৃশ্য দেখা যাবে। বুড়িগঙ্গা হবে আনন্দ ও বিনোদনের কেন্দ্র।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আবদুস সামাদ, বিশিষ্ট কলামিস্ট ও পরিবেশবিদ সৈয়দ আবুল মকসুদ, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমডোর এম মাবুবব উল ইসলাম এবং প্রকল্প পরিচালক নুরুল আলম উপস্থিত ছিলেন।
নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বুড়িগঙ্গাকে দূষণমুক্ত করে মানুষের ব্যবহার উপযোগী করতে চাই। মানুষের জীবিকার জন্য নদী ব্যবহৃত হবে, আমরা সেরকম পরিবেশ গড়ে তুলব।
তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশের নদীগুলোকে দখল ও দূষণমুক্ত করতে সরকার কাজ করছে। এক্ষেত্রে কেউ হস্তক্ষেপ করলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ।
তিনি নদী রক্ষায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
নদী তীর পুনর্দখলরোধে নদীর তীর ভূমিতে সীমানা পিলার স্থাপন, ওয়াকওয়ে, কিওয়াল, ওয়াকওয়ে অন পাইল ইত্যাদি নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।
উক্ত কাজ বাস্তবায়নে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে। নদীর তীরভূমির অবৈধ দখল রোধ, দখলমুক্ত অংশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিবেশ উন্নয়ন, ওয়াকওয়ে (হাঁটার রাস্তা) নির্মাণ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
প্রথম পর্যায়ে শনিবার থেকে ঢাকা নদীবন্দর এলাকায় ৩ হাজার ৮০৩টি আরসিসি সীমানা পিলার, রামচন্দ্রপুর থেকে বসিলা ও রায়েরবাজার খাল থেকে কামরাঙ্গীরচর পর্যন্ত এক কিলোমিটার ওয়াকওয়ে, এক কিলোমিটার কিওয়াল, দুই দশমিক পাঁচ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে অন পাইল নির্মাণ করা হবে। ৩ হাজার ৮০৩টি আরসিসি সীমানা পিলারের মধ্যে ২ হাজার ৩৪০টি সিঙ্গেল পাইলের এবং ১ হাজার ৪৬৩টি ডাবল পাইলের হবে। আরসিসি সীমানা পিলারগুলো নির্মাণে ব্যয় হবে প্রায় ৭০ কোটি টাকা। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এগুলো স্থাপনের কাজ শেষ হবে। রামচন্দ্রপুর থেকে বসিলা ও রায়েরবাজার খাল থেকে কামরাঙ্গীরচর পর্যন্ত এক কিলোমিটার ওয়াকওয়ে, এক কিলোমিটার কিওয়াল এবং দুই দশমিক পাঁচ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে অন পাইল নির্মাণ/স্থাপনে প্রায় ৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হবে। ২০২০ সালের জুনের মধ্যে এগুলোর স্থাপনার কাজ শেষ হবে।