নিজস্ব প্রতিবেদক : বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বাণিজ্য বৃদ্ধির প্রচুর সুযোগ আছে। এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। চীন বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে পারে। এ মুহূর্তে বাংলাদেশে বিনিয়োগের গুরুত্বপূর্ণ সেক্টরগুলো হলো- জাহাজ নির্মাণ, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াকরণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পাটপণ্যের বহুমুখীকরণ, অবকাঠামোর উন্নয়ন এবং পর্যটন।
বৃহস্পতিবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, চীনের কুনমিংয়ে সপ্তাহব্যাপী চীন সরকার আয়োজিত সাউথ অ্যান্ড সাউথইস্ট এশিয়া কমোডিটি এক্সপো অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ফেয়ার, ২০১৯ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ মেলা ইস্ট অ্যান্ড সাউথইস্ট এশিযায় বিনিয়োগের প্লাটফর্ম হতে পারে। বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য দ্রুত এগিযে যাচ্ছে। তৈরি পোশাকের পাশাপাশি বাংলাদেশের তৈরি ওষুধ বিশ্ববাজারে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ এখন চীনসহ বিশ্বের ১৪৫টি দেশে ওষুধ এবং ওষুধ জাতীয় পণ্য রপ্তানি করছে।
তিনি বলেন, তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশে অবস্থান দ্বিতীয়। চামড়াজাত পণ্য এবং আইসিটির রপ্তানি খাত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ববাসীর সহযোগিতা পেলে ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত দেশ।
টিপু মুনশি বলেন, চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য দীর্ঘদিনের। গত অর্থবছর চীনের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য হয়েছে ১২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। এর মধ্যে বাংলাদেশ ১১.৭ বিলিয়ন মার্কন ডলার মূল্যর পণ্য আমদানি করেছে। গত ৮ বছরে এ বাণিজ্যর পরিমাণ দ্বিগুণ হয়েছে। বাংলাদেশ ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্টের জন্য উপযুক্ত স্থান। বাংলাদেশ গত বছর ৭.৮৬ ভাগ জিডিপি গ্রোথ অর্জন করতে পেরেছে। বিগত ১০ বছরে বাংলাদেশ অভূতপূর্ব উন্নতি করেছে। আগামী ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। ২০৪১ সালে বাংলাদেশ হবে উন্নত দেশ। এখন তা স্বপ্ন নয়, বাস্তব।
তিনি বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় বিশ্ববাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

