ঢাকাWednesday , 12 June 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

অযাচিত ভয়েস কলে ক্ষুব্ধ গ্রাহক, বিরক্ত বিটিআরসির চেয়ারম্যান

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : দেশের মোবাইল অপারেটরদের সেবার মান বিশেষ করে কল ড্রপ, ভয়েস কল ও ইন্টারনেটের বিভিন্ন বান্ডেল প্যাকেজ ও মূল্য সম্পর্কে জনগণের সরাসরি মতামত জানতে এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কার্যক্রম জানাতে গণশুনানি হয়েছে।
গণশুনানিতে মোবাইল ফোনে আসা বিজ্ঞাপনের অযাচিত ভয়েস কল ও এসএমএস নিয়ে বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা। বিরক্তি প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকও।
গ্রাহকদের সমস্যা কীভাবে সমাধান করা যায়, সে ব্যাপারে মোবাইল ফোন অপারেটরদের তৎপর হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান।
বুধবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ (আইইবি) অডিটরিয়ামে ‘টেলিযোগাযোগ সেবা ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম’ বিষয়ে গণশুনানিতে এ নির্দেশনা দেন বিটিআরসির চেয়ারম্যান। এতে আগে থেকে নিবন্ধিত ৫০০ অতিথি অংশ নেন।
বিটিআরসি ছাড়াও গণশুনানিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়/বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, গোয়েন্দা সংস্থা, ভোক্তা অধিকার সংঘ, মোবাইল ফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশন, বিটিআরসির লাইসেন্সধারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও তাদের অ্যাসোসিয়েশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
গণশুনানিতে অংশ নেওয়ার জন্য ২৪ মে থেকে ৩ জুন বিটিআরসির ওয়েবসাইটের নিবন্ধনের মাধ্যমে ২০২ জন গ্রাহক মোট ১ হাজার ৩১৯ প্রশ্ন/অভিযোগ/মতামত কমিশনকে জানায়। পরবর্তীতে গণশুনানি সংশ্লিষ্ট কমিটি কর্তৃক যাচাই-বাছাই করে ১৬৫ জনকে শুনানিতে অংশগ্রহণের জন্য আমন্ত্রণ জানায়।
প্রশ্নসমূহের মধ্যে মোবাইল অপারেটরদের কলড্রপ ও বিভিন্ন প্যাকেজ (ভয়েস, ডাটা বান্ডল) এবং এর মূল্য সম্পর্কে অভিযোগ ছাড়াও বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন, সাইবার অপরাধ, মোবাইল ফোনে হুমকি, ফেসবুক ব্যবহারে নিরাপত্তা, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, ফাইভ জি, অ্যামেচার রেডিও সার্ভিস, মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি, মোবাইল অপারেটরদের কল সেন্টারের মাধ্যমে সেবা সংক্রান্ত অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য টেলিকম সেবা প্রদানকারীদের সেবা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
উপস্থিত সকলের অংশগ্রহণে প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী গণশুনানি চলে।