নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদের বাকি এখনো প্রায় আট দিন। ঈদযাত্রায় ভোগান্তির আশঙ্কায় আগেভাগেই ঢাকা ছাড়ছেন ঘরমুখী মানুষজন। বিশেষ করে ছাত্র, নারী ও শিশুরা আগেই গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছেন।
মঙ্গলবার রাজধানীর অন্যতম বাস টার্মিনাল গাবতলীতে গিয়ে এমন দৃশ্যই চোখে পড়েছে। পরিবার-পরিজনদের গ্রামের বাড়িতে পাঠাতে অনেকেই এসেছেন বাস টার্মিনাল ও কাউন্টারগুলোতে।
তবে এবার বিভিন্ন দূরপাল্লার বাসের টিকিট আগেই বিক্রি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন অনেকে। রাজধানীর মিরপুরের ব্যবসায়ী মোহাম্মদ রফিক তার পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে পাঠানোর জন্য গাবতলীতে ঈগল পরিবহনের কাউন্টারে এসেছেন। কথা হয় তার সঙ্গে। তিনি বলেন, আমি মিরপুরে ব্যবসা করি। বাড়িতে যাব ঈদের দিন সকালে। আর দুই-তিন দিন পরে যাত্রীদের চাপ বাড়বে। তাই আগে ভাগেই স্ত্রী-সন্তানদের পাঠিয়ে দিচ্ছি।
ব্যাংক কর্মকর্তা মাইনুল ইসলাম স্ত্রী-সন্তানকে গ্রামের বাড়িতে পাঠানোর জন্য খুলনাগামী বাসে তুলে দিতে গাবতলীতে এসেছেন তিনি। তিনি বলেন, ঈদের সময় তীব্র যানজট আর মানুষের ভিড়ে বাড়ি ফেরা খুবই বিড়ম্বনার। তাই ওদের আগেই পাঠিয়ে দিচ্ছি। আমি ৩ তারিখে বাড়ি ফিরব।
গাবতলীর ঈগল পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার সোহেল হোসেন জানান, যাত্রীদের চাপ স্বাভাবিকের তুলনায় একটু বেশি। বিশেষ করে, ছাত্রছাত্রীরা এবার আগেভাগেই বাড়িতে যাচ্ছেন। তাদের সঙ্গে তাদের পরিবারের লোকজনও যাচ্ছেন।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া সিনথিয়া তন্বী বলেন, পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছি। গতকাল বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হয়েছে। ঈদে যাত্রীদের যে চাপ তা এখনো শুরু হয়নি। তাই রাস্তায় তেমন সমস্যা হবে না বলে আশা করছি।
বরিশালগামী মোহাম্মদ আতিক বলেন, আমি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। সবার সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছি। অফিস-আদালত ছুটি হবে আগামী ৩০ অথবা ৩১ তারিখের দিকে। তখন খুব ভিড় হবে, এই চিন্তা করেই আজ যাচ্ছি।
সাকুরা এসি বাসের কাউন্টার মাস্টার মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম জানান, এখনো যাত্রীদের চাপ খুব একটা শুরু হয়নি। তবে আগামী ৩০ তারিখ থেকে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ শুরু হবে।

