আন্তর্জাতিক ডেস্ক : ইরান যে কোনো সামরিক বা অর্থনৈতিক আগ্রাসনের মোকাবেলা করবে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ। রোববার বাগদাদে ইরাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-হাকিমের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মন্তব্য করেছেন।
জারিফ একইসঙ্গে ইউরোপীয় দেশগুলোকে স্বাক্ষরিত পরমাণু চুক্তি সংরক্ষণের আহ্বান জানিয়েছেন।
ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তার দেশ উপসাগরীয় প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক সৃষ্টি করতে চায়। ইরান এসব দেশের সঙ্গে আগ্রাসনবিরোধী চুক্তি স্বাক্ষরেরও প্রস্তাব করেছে বলে জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আমরা ইরানের বিরুদ্ধে যে কোনো যুদ্ধপ্রচেষ্টা মোকাবেলা কর, সেটা অর্থণৈতিক যুদ্ধ কিংবা সামরিক যেটাই হোক না এবং আমরা শক্তির সাহায্যে এর মোকাবেলা করব।’
সম্প্রতি সংযুক্ত আরব আমিরাত উপকূলে সৌদি আরবের দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে কে বা কারা হামলা চালায়। সৌদি আরবের মিত্র যুক্তরাষ্ট্রর এর জন্য ইরানকে দায়ী করেছে। ইরান অবশ্য এ দাবি অস্বীকার করেছে। এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা নতুন করে বৃদ্ধি পেয়েছে। সর্বশেষ চলতি সপ্তাহে উপসাগরীয় এলাকায় দেড় হাজার নতুন সেনা ও যুদ্ধবিমানের একটি স্কোয়াড্রন পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের এই বিপদে পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিবেশী ইরাক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকিম জানিয়েছেন, তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের আরোপিত অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ফলপ্রদ হবে বলে বাগদাদ বিশ্বাস করে না।
তিনি বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত স্পষ্ট ও সততার সঙ্গে বলছি যে, যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া একতরফা পদক্ষেপের বিরোধিতা আমরা করছি। আমরা ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অবস্থানের জন্য তাদের পাশে আছি।’

