নিজস্ব প্রতিবেদক : ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী বলেছেন, স্বাধীনতার পরপরই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা জনবান্ধব ও আধুনিক করেছিলেন। ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির খাজনা মওকুফ, গৃহহীনদের গুচ্ছগ্রামের মাধ্যমে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেন। ব্যক্তি কিংবা পরিবার প্রতি জমির সর্বোচ্চ সীমা ৩৭৫ বিঘা থেকে কমিয়ে ১০০ বিঘা নির্ধারণসহ সবকিছুই বঙ্গবন্ধুর ভূমি সম্পর্কিত গৃহীত যুগান্তকারী ও সুদূরপ্রসারী সিদ্ধান্তগুলোর অন্যতম।
সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী সুষ্ঠুভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে এ সভা করা হয়।
‘মুজিববর্ষ’ উদযাপনে ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী। সভায় ভূমি সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মো. মাক্ছুদুর রহমান পাটওয়ারীসহ ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এবং মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরসমূহের প্রধান এবং তাদের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) মো. মজিবর রহমানকে অত্র মন্ত্রণালয়ের ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন’ বিষয়ক ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাচন করা হয়।
উল্লেখ্য, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে ২০১৮ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২১ সালের মার্চ পর্যন্ত ‘মুজিববর্ষ’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। ২০২১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীও পালন করা হবে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় নিজ উদ্যোগে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে কিংবা করবে। এসব কর্মসূচি জাতীয় পর্যায়ে উদযাপনের জন্য একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করার লক্ষ্যে এবং কর্মসূচির দ্বিত্ব পরিহার করার জন্য মন্ত্রণালয়গুলোর গৃহীত কর্মপরিকল্পনা জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিকে অবহিত করা হবে।
৭৯ সদস্য বিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী। এছাড়া, ১০২ সদস্য বিশিষ্ট ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি’র সভাপতি হলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী।

