ঢাকাSaturday , 4 May 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফণি মোকাবিলায় প্রস্তুত ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ফণি। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব এবং ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলায় ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।
শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে ‘ধেয়ে আসছে ফণী, প্রস্তুত বাংলাদেশ’ শিরোনামে একটি স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানান তিনি।
সজীব ওয়াজেদ জয় তার স্ট্যাটাসে ফণি মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরেন।
স্ট্যাটাসে সজীব ওয়াজেদ জয় জানান, দেশের ১৯টি উপকূলীয় জেলায় ৫৬ হাজার স্বেচ্ছাসেবক ও ৩ হাজার ৮৬৮টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত। উপকূলীয় ১৯ জেলায় খোলা হয়েছে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ। সকল জেলা প্রশাসকদের ২০০ মেট্রিক টন চাল, ৪১ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার ও ৫ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়েছে। ফণির প্রভাব মোকাবিলা ও জরুরি তথ্য আদান-প্রদানের কন্ট্রোল রুম নম্বর ০২৯৫৪৬০৭২। ঘূর্ণিঝড় ফণির আঘাতের শঙ্কায় সারা দেশে নৌচলাচল বন্ধ। প্রস্তুত নৌবাহিনীর ৩২টি জাহাজ। দুর্যোগ চলাকালীন বা পরবর্তী সময়ে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ফণির পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিআইডাব্লিউটিএসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া স্ট্যাটাসে তিনি সবাইকে সতর্ক থাকতে এবং সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে আহ্বান জানান।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, ভারতের উড়িষ্যার উপকূলে উঠে আসার পর বৃষ্টি ঝরিয়ে ফণি অনেকটা দুর্বল হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পেরিয়ে আসার পথে আরো দুর্বল হয়ে এই ঘূর্ণিঝড় শনিবার সকাল ১১ থেকে ১২টার মধ্যে বাংলাদেশ পৌঁছাতে পারে।
শুক্রবার মধ্যরাতে অধিদপ্তরের পরিচালক শামছুদ্দীন আহমেদ জানিয়েছেন, ঘূণিঝড় ফণি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নয়, দেশেল মধ্যাঞ্চলে আঘাত হানতে পারে। এটি সাতক্ষীরার উত্তর দিয়ে যশোর, ঝিনাইদহ, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের দক্ষিণ দিয়ে চলে যেতে পারে। এসব এলাকায় প্রবল বাতাস হতে পারে।
ঘূর্ণিঝড় ফণির প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত হচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। দেশের দুই সমুদ্রবন্দর মোংলা ও পায়রা বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় ফনির কারণে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দেশের উপকূলীয় জেলাগুলোর ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৫ জন মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে।
দেশের ১৯ জেলার ১৪৭টি উপজেলার ১৩ হাজার ৫০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা উপকূলীয় এলাকা হিসেবে চিহ্নিত। সেখানে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ মানুষের বসবাস।
এই ১৯ জেলায় ৪ হাজার ৭১টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে, যার বেশিরভাগই প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নেভি, কোস্টগার্ড, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, স্বেচ্ছাসেবকসহ রাজনৈতিককর্মীরা উপকূলের মানুষদের আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছেন।