নিজস্ব প্রতিবেদক : এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনের অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন স্থগিত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি।
বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি (নজরুল) ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের যৌথ উদ্যোগে এক প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ভূমিকা নিয়ে শিক্ষক নেতারা ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন স্থগিত করার বিষয়ে মাউশির ডিজির কোনো আন্তরিকতা বা ভূমিকা না থাকায় অত্যন্ত মর্মাহত হয়েছি।
তারা বলেন, অতিরিক্ত ৪ শতাংশ কর্তন স্থগিতসহ আসন্ন ঈদুল ফিতরের পূর্বেই ২৫ শতাংশ এর পরিবর্তে পূর্ণাঙ্গ ঈদ বোনাস এবং ২০১৯-২০ অর্থবাজেটে সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ রাখতে হবে। সরকারি চাকরীজীবীর ন্যয় বাড়ি ভাড়া প্রদান ও এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বদলির নীতিমালা চালু করতে হবে, নতুবা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অবিরাম ধর্মঘটসহ আরো কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে মানববন্ধনে জানানো হয়।
প্রতিবাদ সভা এবং মানববন্ধন কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন-বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াঁজো ফোরামের মুখপাত্র মো. নজরুল ইসলাম রনি এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন-বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. মেজবাহুল ইসলাম প্রিন্স।
মানববন্ধনে একাত্বতা প্রকাশ করেন-বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. দেলোয়ার হোসেন। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি গাজী মামুন আল জাকির, সাংগঠনিক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
এ সময় তারা আগামী ২ মে এর ধর্মঘট প্রত্যাহার করে ঈদের পর সংবাদ সম্মেলন করে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানান।

