নিজস্ব প্রতিবেদক : চলতি অর্থবছরে ডিসেম্বরে সাধারণ মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১১ শতাংশ যা নভেম্বর মাসে ছিল ৬ দশমিক ২১ শতাংশ। তবে গত বছরে ডিসেম্বরে মূল্যস্ফীতি হার ছিল ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের এনইসি সম্মেলনে কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
মন্ত্রী জানান, ডিসেম্বরে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ৪৪ ও ৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ।
মুস্তফা কামাল জানান, গ্রামীণ পর্যায়ে সাধারণ পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ যা নভেম্বরে ছিল শতকরা ৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। ডিসেম্বরে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে শতকরা ৫ দশমিক ৭৮ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল যথাক্রমে শতকরা ৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ ও ৫ দশমিক ৪৫ শতাংশ।
তিনি বলেন, ‘শহর পর্যায়ে সাধারণ পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ, যা নভেম্বরে ছিল ৬ দশমিক ৫১ শতাংশ। ডিসেম্বরে খাদ্য ও খাদ্য বহির্ভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে যথাক্রমে ৬ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ ও ৬ দশমিক ৯৯ শতাংশ, যা নভেম্বর ছিল ৬ দশমিক ৬১ শতাংশ ও ৬ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির হ্রাস-বৃদ্ধির পর্যালোচনা করলে দেয়া যায়; চাল, ডাল, মাংস, ফল অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী ও তামাক জাতীয় দ্রব্যদির মূল্য বৃদ্ধির (গত মাসের তুলনায়) কারণে মাসিক ভিত্তিতে অর্থাৎ নভেম্বরে তুলনায় ডিসেম্বরে এ খাদ্য সামগ্রী উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা শূন্য দশমিক ২১ শতাংশ, যা অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে ছিল শতকরা মাইনাস শূন্য দশমিক ১৯ শতাংশ।
পর্যালোচনা করলে আরো দেখা যায়, বস্ত্রাদি, বাড়ি ভাড়া, আসবাব পত্র ও গৃহস্থলী, চিকিৎসা সেবা পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং বিবিধ দ্রব্য সেবা খাতে মূল্য বৃদ্ধির (গত মাসের তুলনায়) কারণে মাসিক ভিত্তিতে খাদ্য বহির্ভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে শতকরা শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ। যা অক্টোবরের তুলনায় নভেম্বরে ছিল শূন্য দশমিক ৩৬ শতাংশ।
খাদ্য বহির্ভূত উপখাতে মূল্যস্ফীতি বাড়ার কারণ হিসেবে মন্ত্রী জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের দাম বাড়ায় এর প্রভাব পড়েছে আমাদের দেশিয় বাজারে। তাই এ খাতে ডিসেম্বর মূল্যস্ফীতির হার বেড়েছে।

