ঢাকাSaturday , 13 April 2019
  1. অর্থনীতি
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. কৃষি ও অন্যান্য
  6. খেলাধুলা
  7. গল্প ও কবিতা
  8. জাতীয়
  9. তথ্যপ্রযুক্তি
  10. দেশজুড়ে
  11. ধর্ম ও জীবন
  12. প্রবাস
  13. বানিজ্য
  14. বিনোদন
  15. বিশেষ প্রতিবেদন
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী

Link Copied!

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং।
দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। স্বাস্থ্য, কৃষি, নৌপরিবহন, পর্যটন খাতে সহযোগিতা এবং জনপ্রশাসন খাতে প্রশিক্ষণের বিষয়ে এ সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে।
শনিবার সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক ও নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হোটেলকক্ষে পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করবেন।
পরে সন্ধ্যায় ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। রাতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সম্মানে হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেবেন লোটে শেরিং।
বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন রোববার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে সুরের ধারা আয়োজিত বর্ষবরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।
একই দিনে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিং সেখানকার পুনর্মিলনীতে ভাষণ দেবেন। বিকেলে রাজধানীতে ফেরার পর বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বিমসটেক সচিবালয় ও বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জনস পরিদর্শন করবেন।
তিন দিনের সফর শেষ করে ১৫ এপ্রিল তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
শুক্রবার ঢাকায় পৌঁছান লোটে শেরিং। ঢাকায় এসেই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক মতবিনিময় করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজের অষ্টাদশ ব্যাচের ছাত্র লোটে শেরিং এমবিবিএস পাস করার পর বাংলাদেশেই সার্জারিতে উচ্চতর ডিগ্রি নেন। দেশে ফিরে যোগ দেন চিকিৎসা পেশায়।
সরকারি চাকরি ছেড়ে ২০১৩ সালে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যেই তার দল ডিএনটি চমক সৃষ্টি করে। ২০১৮ সালের নির্বাচনে ডিএনটি জয়ী হলে ডা. শেরিং হন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী।